ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের বিতর্ক এবার নিউইয়র্কের রাজনীতিতে

শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে মিশরের ৩-২ গোলের হার এবং ভিএআর বিতর্ক এবার রাজনীতির ময়দানেও। এ ইস্যুতে মিশরের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। আর্জেন্টিনার সেই অবিশ্বাস্য কামব্যাকের পর রেফারি ও ভিএআরের সিদ্ধান্তকে একপ্রকার ‘ডাকাতি’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়েছে। নিউইয়র্ক সিটিতে বাসের গতিসেবা বাড়ানোর একটি সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ করেই বিশ্বকাপের এই প্রসঙ্গ টেনে আনেন মেয়র মামদানি। তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্কবাসীর সময় বাঁচানো কতটা জরুরি, তা বোঝাতে গিয়েই এই উদাহরণ। সময় বাঁচলে আপনি ঘরে ফিরে পরিবারের সঙ্গে আড্ডা দিতে পারবেন, অথবা বন্ধুদের সঙ্গে তর্কে মেতে ওঠে একমত হতে পারবেন যে- গতকাল মিশরের সঙ্গে আসলেই একটা ডাকাতি করা হয়েছে।’
ম্যাচের প্রধান বিতর্কটি তৈরি হয় দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে। মোস্তফা জিকোর গোলে মিশর যখন ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার উৎসব শুরু করে, ঠিক তখনই বাগড়া দেয় ভিএআর। দীর্ঘক্ষণ রিভিউ দেখার পর ফরাসি রেফারি ফ্রাসোয়া লেতেক্সিয়ে দাবি করেন, আক্রমণের শুরুতে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে ফাউল করেছিলেন মিশরের মারওয়ান আতিয়া। ফলে গোলটি বাতিল করা হয়। বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, গোল হওয়ার অনেক আগে মাঝমাঠের সেই ঘটনার জন্য ভিএআর টেনে আনা কোনোভাবেই যৌক্তিক ছিল না।
এরপর ৭৯ মিনিটে মেসির অ্যাসিস্ট থেকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর গোলে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফেরে। এবং শেষ মুহূর্তের ঝড়ে ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে নেয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। এর মধ্যে ডি-বক্সে মোহামেদ সালাহকে হুলিয়ান আলভারেজ ফাউল করলেও রেফারি পেনাল্টি দেননি, যা মিশরের ক্ষোভ আরো তাঁতিয়ে দেয়। এরই মধ্যে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ) ম্যাচ অফিশিয়ালদের তীব্র সমালোচনা করে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দিয়েছে। মিশরের কোচ হোসাম হাসান ও খেলোয়াড়রা সরাসরি অভিযোগ করে বলেছেন, টুর্নামেন্টটি আর্জেন্টিনার পক্ষে ‘পাতানো’। যদিও ফিফার রেফারি কমিটির প্রধান পিয়েরলুইজি কোলিনা পক্ষপাতিত্বের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে রেফারিদের সিদ্ধান্তকেই সঠিক বলে ডিফেন্ড করেছেন।
"









































