ক্রীড়া ডেস্ক

  ১৮ ঘণ্টা আগে

নরওয়ে শিবিরে ‘ভাইরাস’ আতঙ্ক?

বিশ্বকাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনালে আগামী শনিবার মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে।

তবে মায়ামির এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে মাঠের ফুটবলের চেয়েও বেশি আলোচনা চলছে নরওয়ে শিবিরের চোট-আঘাত আর আবহাওয়ার বৈরী পূর্বাভাস নিয়ে। শেষ ১৬’র ম্যাচে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারানোর পর গুঞ্জন উঠে, নরওয়েজিয়ান শিবিরে নাকি ‘সিকনেস বাগ’ বা রহস্যময় এক ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে এই গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দলের প্রধান চিকিৎসক।

মূলত নরওয়ের কোচ স্টেল সোলবাকেনের এক সংবাদ সম্মেলন থেকেই এই গুঞ্জনের সূত্রপাত। যুক্তরাষ্ট্রের এক শহর থেকে অন্য শহরে হাজার হাজার মাইল ভ্রমণের ধকলের কথা জানাতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, দলের অন্যতম ভরসা জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন জ্বরে ভুগছিলেন এবং ম্যাচের দিন সকালে মার্কাস পেডারসেনও অসুস্থ বোধ করছিলেন বলে জানান তিনি। দলের ভেতর এসি, ফ্লাইট ও ড্রেসিংরুমের আবহাওয়ার কারণে ফুটবলারদের সর্দি-কাশির সমস্যার কথাও জানান কোচ। প্রায় ৫০ জনের বড় বহরে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক বলেই মনে করেন তিনি।

তবে দলের চিকিৎসক ওলা স্যান্ড নরওয়েজিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘নেটাভিসেন’কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভয়ের কোনো কারণ নেই। দলের সবাই এখন সম্পূর্ণ সুস্থ এবং ফিট। তিনি কিছুটা রসিকতা করেই বলেন, ‘ভালোই হয়েছে যে, প্রতিপক্ষরা এই ভাইরাসের গুঞ্জনটি বিশ্বাস করেছে! আমরা সব নিয়ন্ত্রণে রেখেছি।’

ভাইরাস আতঙ্ক কেটে গেলেও দুই দলের সামনে এখন বড় প্রতিপক্ষ মায়ামির চরম আবহাওয়া। ম্যাচের দিন সেখানকার তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে, যা ফুটবলারদের স্ট্যামিনায় বড় প্রভাব ফেলবে। একইসঙ্গে রয়েছে তীব্র বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস, যার কারণে ম্যাচ ব্যাহত বা স্থগিতও হতে পারে।

ইংল্যান্ড দল অবশ্য এই টুর্নামেন্টে এরই মধ্যে চরম আবহাওয়ার মুখোমুখি হয়েছে। মেক্সিকোর বিপক্ষে তাদের ৩-২ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচটি বজ্রপাতের কারণে দেরিতে শুরু হয়। অন্যদিকে স্কোয়াডে চোটের সমস্যা নিয়েও কিছুটা অস্বস্তিতে আছেন থমাস টুখেল।

রিস জেমস ও জর্ডান হেন্ডারসনের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের চোটের কারণে ইংল্যান্ডকে তাদের ফিটনেস নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়