চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা
মাদক কারবারি দম্পতি গড়েছে টাকার পাহাড়
* জুয়েল মেম্বার ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের * এই দম্পতির রয়েছে ৩টি বাড়ি ও ৫ বিঘা জমি * যাবজ্জীবনের আসামি জুয়েলকে খুঁজছে পুলিশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ও একই ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে মো. জুয়েল রানা এবং তার স্ত্রী সালমা জাহানের ‘মাদক সাম্রাজ্যের’ সন্ধান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। একজন সাধারণ মেম্বার ও তার স্ত্রীর নামে ২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং জেলা শহরে একাধিক বহুতল ভবনসহ প্রায় ১৪ কোটি টাকারও বেশি অবৈধ সম্পদের এই খতিয়ান এখন খোদ প্রশাসনের কর্তাদেরও চমকে দিয়েছে। মেম্বার পরিচয়ের আড়ালে দীর্ঘদিনের এই হেরোইন চোরাচালান ও টাকা পাচারের (মানিলন্ডারিং) অভিযোগে অবশেষে এই দম্পতির বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মামলা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এরপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
২৪ ব্যাংক হিসাবে টাকার পাহাড় : সীমান্ত দিয়ে আসা হেরোইন বিক্রির কালো টাকা বৈধ করতে এই দম্পতি দেশের শীর্ষস্থানীয় মূলধারার ব্যাংকগুলোতে রীতিমতো টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছিলেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুসন্ধানে স্বামী-স্ত্রীর নামে মোট ২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সন্ধান মিলেছে, যার মধ্যে ১২টি অ্যাকাউন্ট খোদ জুয়েল রানা এবং বাকি ১২টি অ্যাকাউন্ট তার স্ত্রীর নামে। সবচেয়ে বড় চমক মিলেছে জুয়েল রানার স্ত্রী সালমা জাহানের ব্যাংক হিসাবে। কাগজে-কলমে নিজেকে সাধারণ ‘গৃহিণী’ পরিচয় দিলেও তার নামে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা ও লেনদেন হয়েছে স্বামীর চেয়েও বেশি- রেকর্ড ৬ কোটি ৮৬ লাখ ১২ হাজার ৯৭০ টাকা। কর্মকর্তাদের মতে- সুনির্দিষ্ট কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও কেবল মাদক কারবারের টাকা লুকিয়ে রাখতে ও ছড়িয়ে দিতে স্ত্রীর নামে এতগুলো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে মেম্বার জুয়েল রানার ১২টি অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৩১৭ টাকা। নথি অনুযায়ী- মেম্বার জুয়েল রানার ১২টি ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
জুয়েল রানার ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের বিবরণ অনুযায়ী- ১ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ০২০০০২...৩৯১০ নম্বর ‘সাদিয়া ফ্যাশন’ নামের কারেন্ট অ্যাকাউন্টে সর্বোচ্চ ১ কোটি ৮০ লাখ ৩২ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং ২ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ জনতা ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ কর্পোরেট শাখার ১০০১৬৭...১৭৫১ নম্বর ‘সাদিয়া ফ্যাশন’ নামের কমার্শিয়াল অ্যাকাউন্টে ৪৯ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৮ টাকা লেনদেন হয়েছে। এরপর ৩ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি ঢাকার আশকোনা শাখার ০২০২১...৪৫৮ নম্বর ব্যক্তিগত সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৩০ লাখ ২৩ হাজার ৯১৩ টাকা ০৮ পয়সা, ৪ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ১০০১২০...৪০০১ নম্বর অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ৫ লাখ ১৮ হাজার ৮৮৪ টাকা ৪৮ পয়সা, ৫ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ০২৩০২...৬৮১১ নম্বর অ্যাকাউন্টে ৭২ লাখ ৫ হাজার ১১৫ টাকা ৫১ পয়সা এবং ৬ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ ইউসিবি পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ০৬২৩০...৪১২ নম্বর অ্যাকাউন্টে ৫৬ লাখ ১২ হাজার ৭৮ টাকা ২১ পয়সা লেনদেনের তথ্য মিলেছে।
এ ছাড়াও ৭ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ ব্যাংক এশিয়া পিএলসি এজেন্ট ব্যাংকিং ১০৮৩৪...২০৯ নম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে ৬৭ লাখ ৯৫ হাজার ৯৯ টাকা ৮৪ পয়সা, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ০১৯৭৩...১১১ নম্বর রকেট মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ৭৮ হাজার ৯০০ টাকা, ৯ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ১০৫৩০...২৬২ নম্বর অ্যাকাউন্টে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭১১ টাকা ৩৬ পয়সা, ১০ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি শ্রীপুর, গাজীপুর শাখার ১০৩১১...১৩৪ নম্বর অ্যাকাউন্টে ৭ হাজার ১০১ টাকা, ১১ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ পূবালী ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ১৩৩৭...৯৩২ নম্বর অ্যাকাউন্টে ৫৪ লাখ ৪২ হাজার ৫১৭ টাকা ১৪ পয়সা এবং সর্বশেষ ১২ নম্বর হিসাবে অর্থাৎ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এজেন্ট আউটলেটের ২০৫০৭...১৮৫ নম্বর হিসাবে ২ হাজার টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে স্ত্রী সালমা জাহানের নামে থাকা ১২টি ব্যাংক হিসাবের চিত্র অরো চমকপ্রদ। তার নামে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ২৪০...৩১০ নম্বর এফডিআর অ্যাকাউন্টে সবচেয়ে বড় অঙ্কের অর্থাৎ ১ কোটি ৫৬ লাখ ৫ হাজার ৮৯৯ টাকা জমার হদিস মিলেছে। একই ব্যাংকের ২৪০২০৭...১১০ নম্বর সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৭৭ হাজার ৭৪১ টাকা এবং ০১৭৮০০...৯৭ নম্বর রকেট মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৩১ টাকা লেনদেন হয়েছে। পূবালী ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ১৩৩৭...৯২০ নম্বর সেভিংস অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ৮১ লাখ ৫২ হাজার হাজার ৯৩৯ টাকা এবং ১৩৩৭...৩৮১ নম্বর কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯ হাজার ৬২৭ টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ২০৫০১৩...১১৮ নম্বর এমএসএ অ্যাকাউন্টে ৭৯ লাখ ৫৬ হাজার ৬৮২ টাকা এবং ন্যাশনাল ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ১০৫৩০০...২৭৯ নম্বর সেভিংস অ্যাকাউন্টে ৪৮ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা লেনদেন হয়।
এর বাইরে পূবালী ব্যাংকেই সালমা জাহানের নামে ৫টি পৃথক ডিপিএস অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১৩৩৭...২৫০ নম্বর অ্যাকাউন্টে ১ লাখ ৪ হাজার ৮৩০ টাকা, ১৩৩৭...১৭১ নম্বর অ্যাকাউন্টে ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৬ টাকা, ১৩৩৭...৪৮৪ নম্বর অ্যাকাউন্টে ১ লাখ ৯৯ হাজার ২১৯ টাকা, ১৩৩৭-১...৪৯৯ নম্বর অ্যাকাউন্টে ১ লাখ ৯৯ হাজার ২১৯ টাকা এবং ১৩৩৭...৫৭৭ নম্বর ডিপিএস অ্যাকাউন্টে ১ লাখ ৪ হাজার ৫০২ টাকা জমার রেকর্ড রয়েছে।
জুয়েল দম্পতির নামে যত সম্পদ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. জুয়েল রানা ও তার স্ত্রীর নামে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল রানা তার অবৈধ মাদকদ্রব্য করবারের মাধ্যমে অর্জিত টাকা দিয়ে তার নিজের উপর্যুক্ত ১.২৯০৭ একর বা প্রায় ৭৩ কাঠা জমি ৯৮ লাখ ৩৫ হাজার ৫০০ টাকায় কিনেছেন। এ ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শহরে তার নামে দুটি বাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি দোতলা আরেকটি তিনতলা। আয়কর নথি যার টিন নম্বর ২১৭....৩২৯; ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয় দেখানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা, সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়েছে ৩টি ট্রাক রয়েছে। অথচ জুয়েল রানার অ্যাকাউন্ট থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন এবং তার নামে স্থাবর সম্পত্তির কোনো উল্লেখ নেই আয়কর নথিতে। জনপ্রতিনিধি হয়েও তিনি রাজস্ব না দিতে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। অন্যদিকে জুয়েল রানার অবৈধ সম্পদের ভাগিদার হিসেবে তার স্ত্রী সালমা জাহানের নামেও মিলেছে বিপুল সম্পত্তির সন্ধান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার বেলেপুকুর-গাবতলা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে একটি দৃষ্টিনন্দন তিন তলা বাড়ি এবং বিভিন্ন এলাকায় আরো ০.৩৫১৬১৬ একর জমি রয়েছে। স্বামী জুয়েল রানার অবৈধ মাদক কারবারের মাধ্যমে অর্জিত টাকা দিয়ে তার নিজ নামে ২২ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকায় এসব জমি কেনা হয় বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তদন্তে পেয়েছে।
মানিলন্ডারিংয়ের মামলা : ভারতের সীমান্ত এলাকা থেকে হেরোইন পাচার এবং মাদক কারবারের টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ গড়ার অভিযোগে ইউপি সদস্য জুয়েল রানা ও তার স্ত্রী সালমা জাহানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, জুয়েল রানা একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে হেরোইন পাচার করে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন। এ ছাড়া অন্য মাদক কারবারিরাও ভারতের সীমান্ত এলাকা থেকে হেরোইনের বড় বড় চালান এনে তার কাছে সরবরাহ করতো। দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ জুয়েল রানা ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করেছেন এবং বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন। এই অবৈধ কারবার থেকে অর্জিত আয়ের প্রকৃত উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন করার অপরাধেই মূলত তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি করা হয়।
এই মাদক সিন্ডিকেটের অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন জুয়েল রানার স্ত্রীও। স্বামীর অবৈধ আয়ের উৎস ও প্রকৃতি গোপন করতে তিনি প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। স্বামীর মাদক বিক্রির টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে স্থানান্তর করা এবং নিজের নামে অবৈধ টাকায় সম্পদ কেনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। মূলত আইনি ব্যবস্থা থেকে স্বামীকে রক্ষা করতেই তিনি এই অর্থের ছদ্মাবরণ তৈরি করেন, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে সমান অপরাধ।
রাজশাহী বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলাটি রুজুর পর রাজশাহী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মেহেদী হাসান এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, জুয়েল রানা একটি মাদক মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। নতুন করে তার বিরুদ্ধে যোগ হয়েছে টাকা পাচারের মামলাও। আমরা তাকে গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চালাচ্ছি। তার বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সব জায়গায় খোঁজ রাখছি।
পুলিশ খুঁজছে জুয়েলকে : ইউপি সদস্য জুয়েল রানার বিরুদ্ধে ৬টি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের পাশাপাশি ৯টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারিও পরোয়ানাও রয়েছে। এ জন্য তাকে খুঁজছে পুলিশ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এ বিষয়ে বলেন, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুয়েল রানার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। আমরা তাকে খুঁজছি। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছে; তার লোকেশন আমরা পাচ্ছি না। মানিলন্ডারিং মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এই মামলাটি থানায় রুজু করেছেন, তারাই তদন্ত করছেন। সে জন্য এ মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সম্পূর্ণ সরকারের ওই প্রতিষ্ঠানটি দেখভাল করবে।
"







































