ক্রীড়া ডেস্ক
এমেরিকে আর্সেনালের লাল কার্ড

১৯৯২ সালের পর আর্সেনালের এতটা অধঃপতন দেখেননি ভক্তরা। প্রিয় দলের একের পর এক গ্লানিকর পারফরম্যান্সে কোচ উনাই এমেরির ওপর ফুঁসে উঠেছিলেন সমর্থকরা। প্রত্যেক ম্যাচের পর তাদের দুয়োধ্বনি শুনে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এমেরিকে। সব মিলিয়ে ভীষণ চাপে ছিলেন ওজিল-আউবামেয়াংদের হেড স্যার, গুঞ্জন ছিল চাকরি হারানোরও। শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো সেটাই। স্প্যানিশ এই কোচকে ছাঁটাই করেছে গানাররা।
কাল লন্ডনের ক্লাবটির ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পারফরম্যান্সের মান প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় বরখাস্ত করা হয়েছে উনাই এমেরিকে। ফলে দায়িত্ব নেওয়ার দেড় বছরের মাথায় চাকরি হারাতে হলো ৪৮ বছর বয়সি ফুটবল প্রশিক্ষককে। ক্লাব ইতিহাসের সফলতম কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গারের উত্তরসূরি হিসেবে ২০১৮ সালের মে মাসে দায়িত্ব নিয়েছিলেন এমেরি। আপাতত গানারদের অন্তর্বর্তীকালীন হেড কোচ হিসেবে গ্রানিট জাকা-ডেভিড লইজদের সামলাবেন ক্লাব কিংবদন্তি এবং এমেরির সহকারী ফ্রেডি লুনবার্গ।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৭ ম্যাচে জয়বঞ্চিত আর্সেনাল। যার শেষটা পরশু রাতে নিজেদের ডেরায় এইনট্রাখট ফ্র্যাংকফুর্টের বিপক্ষে হার। জার্মান বুন্দেসলিগার পয়েন্ট টেবিলে দশে থাকা দলের বিপক্ষে ঘরের মাঠে পরাজয়টা বোধ হয় একটু বেশিই নাড়া দিয়েছে গানার কর্ণধারদের মনে। ক্রোধের ফল, ওই রাতেই এমেরির বিদায় ঘণ্টা বাজানোর যথাযথ সিদ্ধান্ত। যার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে গতকাল।
এমেরির অভিষেক মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পঞ্চম হয় আর্সেনাল। টানা দুই জয়ে চলতি মৌসুমে লিগ শুরু করা গানাররা পরের ১১ ম্যাচে জয় পেয়েছে মোটে দুটি। এমেরির অধীনে অ্যাওয়ে ম্যাচ দুশ্চিন্তার সমার্থক হয়ে উঠেছিল। ইদানিং তো ঘরেও পূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল তাদের। আপাতত হটসিটে বসা লুনবার্গ ২০০২ ও ২০০৪ সালে আর্সেনালের লিগ জেতা স্কোয়াডের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তবে লন্ডন জায়ান্টদের পরবর্তী ম্যানেজার কে হচ্ছেন, তা নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে গুঞ্জন। ব্রিটিশ গণমাধ্যমগুলো বলছে, এমেরির জায়গায় আসতে পারেন নাপোলি ম্যানেজার কার্লো আনচেলোত্তি। উলভারহাম্পটনের নুনোর নামও শোনা যাচ্ছে। তবে হটসিটে বসার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন সাবেক জুভেন্টাস ম্যানেজার মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি।
"








































