নিজস্ব প্রতিবেদক
কুড়িগ্রামে করিম-বানু ফাউন্ডেশনের টিউবওয়েল স্থাপন

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা গ্রামবাসীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে টিউবওয়েল স্থাপন করেছে করিম-বানু ফাউন্ডেশন। মানবিক কাজের অংশ হিসেবে সারাদেশে বিনামূল্যে টিউবওয়েল স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে শুরু করা কর্মসূচির আওতায় গাইবান্ধায় এটি সপ্তম টিউবওয়েল স্থাপন।
করিম-বানু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, পানি পান করানো অপেক্ষা অধিক সাওয়াবপূর্ণ ছাদাকা আর নেই। তাই করিম-বানু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুন্দরগঞ্জে নলকূপ স্থাপন করা হয়। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে নলকূপ স্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, ‘মানবতার পাশে, মানুষের কল্যাণে’ এই স্লোগান ধারণ করে সমাজের পীড়িত, অসহায়, দরিদ্র, দুর্বল ও মানবেতর জীবনযাপনকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের নিশ্চয়তা এবং সার্বিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে করিম-বানু ফাউন্ডেশন।
করিম-বানু ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেনের অর্থায়নে নিয়মিত হাজার হাজার দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় বয়স্ক, স্কুল, কলেজ ও আলিয়া মাদরাসায় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে সহিহ-শুদ্ধভাবে কুরআন ও নামাজ শিক্ষা কোর্স চালু করেছে করিম-বানু ফাউন্ডেশন।
করিম-বানু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শীতের সময় সারাদেশে কয়েক হাজার মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। দেশব্যাপী অসহায় পরিবারের মাঝে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
করিম-বানু ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, ঢাকা, উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণাঞ্চলসহ সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কম আয়ের অসহায় ও অতিদরিদ্র মানুষের নিয়মিত খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছে করিম-বানু ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা হতদরিদ্র মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছে।
এ বিষয়ে ইউসুফ হোসেন বলেন, ‘করোনা সংকটকাল থেকেই আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। অতীতেও বিভিন্ন নানা দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় মানুষের পাশে ছিল করিম-বানু ফাউন্ডেশন। শীতে কষ্ট পাওয়া দুস্থ মানুষের পাশেও ছিল এই প্রতিষ্ঠান। সারাদেশে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করে আসছে বছরের পর বছর ধরে। ভবিষ্যতে নারীর ক্ষমতায়ন ও বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও ভূমিকা রাখবে করিম-বানু ফাউন্ডেশন।’
সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সমাজের অসহায়, গরিব ও দুঃখী মানুষের কল্যাণে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরি। করিম-বানু ফাউন্ডেশনের মতো দেশের অন্যান্য বড় শিল্পগোষ্ঠীও এগিয়ে এলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।’
এদিকে, বিরল রোগে আক্রান্ত ভোলার দৌলতখানের সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী তাকিয়া। আর্থিক অস্বচ্ছলতার অভাবে তার পরিবারের পক্ষ থেকে চিকিৎসা ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছিলো না। এমতাবস্থায় তাকিয়ার চিকিৎসার জন্য পাশে দাঁড়িয়েছে করিম-বানু ফাউন্ডেশন। করিম-বানু ফাউন্ডেশনের পারিবারিক সদস্য এমরানুল হক স্কুলের শিক্ষক ও তাকিয়ার মায়ের সাথে কথা বলে সম্প্রতি তাকিয়ার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পৌছে দেন।









































