গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
গুরুদাসপুরে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর শহরের চাঁচকৈড় বাজারে পিতা ও কন্যার সম্পত্তির দ্বন্দে দুই ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে বিউটি পারভীন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে। বিউটি পৌর শহরের চাঁচকৈড় পুড়ান পাড়া মহল্লার মসলেম সরকারের মেয়ে ও পুলিশ সদস্য আবু সাইদের স্ত্রী।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ওয়ার্কশপ (লেদ) ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম সুমন জানান,দীর্ঘ ৬ বছর ধরে চাঁচকৈড় বাঁশহাটার পুর্বপার্শে মসলেম আলীর জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন।
সোমবার সকালে মুঠোফোনে জানতে পারেন তার দোকানের পেছনের ওয়াল ভঙ্গা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানে এসে দেখেন মসলেম আলীর মেয়ে বিউটি দাড়িয়ে থেকে ১০/১২জন ভাড়া করা লোক দিয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওয়াল ভাংছেন।
এর আগে নগদ টাকা ও যন্ত্রাংশ লুটে নেয়া হয়েছে। এতে তার দেড় লক্ষ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। প্রতিকার পেতে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
অপর ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান,তিনিও একই ব্যক্তির কাছ থেকে বার্ষিক ৫৬ হাজার টাকা চুক্তিতে গুদাম ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছেন। তার ঘরের একাংশের টিনের চালা ও ওয়ালের একাংশের ইট খুলে ফেলা হয়েছে। এতে তার প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
জমির মালিক হাজী মসলেম সরকার বলেন,তার পুত্র সন্তান না থাকায় চাঁচকৈড় মৌজার ১৬ শতাংশ জায়গা ৫ কন্যার নামে লিখে দেন। চার কন্যার সাথে সুসম্পর্ক থাকলেও বিউটি ও তার স্বামী সাইদের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়। এতে বিউটি তার পুলিশ স্বামীর প্রভাবে দলিলের শর্ত ভঙ্গ করে তার ভাড়া দেয়া জায়গা দখল নিতে তান্ডব চালিয়েছে। এমনকি আমি যেন বাধা দিতে না পারি সেকারনে আমার ঘরে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিউটি পারভীনের বক্তব্য নিতে ও ছবি ধারন করতে গেলে সংবাদকর্মীদের সাথে অশোভন আচরন এবং ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দেন। অপর অভিযুক্ত কাটাখালী থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্য আবু সাইদ জানান,তিনি তার শ্বশুরের কাছ থেকে জমি কিনে নিয়েছেন। জমি বুঝে নিতে বেশ ক’বার শালিশ ও পাল্টা-পাল্টি অনেকগুলো মামলা হলেও শ্বশুর জমি বুঝে দেননি। ভারাটিয়াদের ঘর খালি করতে বার বার বলা হলেও তারা অমান্য করায় দখল বুঝে নিতে এমনটা করা হয়েছে।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।









































