reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ১ ঘণ্টা আগে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি

৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানিয়েছেন, জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আমরা ৩৬ দিনের কর্মসূচি প্রণয়ন করেছি। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জোরালো করা এবং অতীতের সব গণহত্যা, গুম ও হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।

তিনি আরো জানিয়েছেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত সংঘটিত বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার দাবিও কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। তিনি দাবি করেন, শাপলা চত্বর, পিলখানা, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন ঘটনায় নিহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের বিচার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— ১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব জেলা ও মহানগরে ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সেমিনার, মাসব্যাপী চিত্রপ্রদর্শনী, ২৩ থেকে ২৫ জুলাই দেয়ালচিত্র ও আলপনা অঙ্কন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাস্থলে স্মরণসভা ও সমাবেশ।

এ ছাড়া ৫ জুলাই সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল, ৬ জুলাই জাতীয় সংসদের সামনে শহীদ পরিবারের মানববন্ধন ও স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান, ৮ জুলাই জাতীয় সেমিনার, ১১ জুলাই রংপুর, ১৮ জুলাই বরিশাল এবং ২৫ জুলাই সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ২০ জুলাই নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণে বিশেষ আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে।

এছাড়া ৩১ জুলাই দেশের মসজিদগুলোতে দোয়া এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের নিজ নিজ উপাসনালয়ে প্রার্থনার আহবান জানানো হয়েছে।

কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন হিসেবে ৫ আগস্ট রাজধানীসহ দেশের সব জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, এটি কোনো দলীয় বা জোটগত কর্মসূচি নয়; এটি জনগণের দাবি। দেশের ভবিষ্যৎ, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এ কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেছেন, জনগণই দেশের মূল শক্তি। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমেই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং ন্যায়বিচারের দাবিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়