তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

  ২৩ জুলাই, ২০২৬

স্মার্ট ডিভাইসে বাড়তি সুবিধা পাবেন

বর্তমানে মানুষের হাতে হাতে নানা ধরনের স্মার্ট ডিভাইস। এই স্মার্ট ডিভাইসের চার্জ শেষ হয়ে গেলে বিপদে পড়ে যেতে হয়। তখন ফোনটি অফ হয়ে ডেড হয়ে যায়। দ্রুত ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া থেকে রেহাই পেতে রয়েছে বেশ কিছু কৌশল। নিয়ম মেনে চললে ব্যাটারি সক্ষমতা বাড়ানো যায় অনেকাংশে।

যত ব্রাইটনেস বাড়িয়ে রাখবেন, ফোনের চার্জ তত দ্রুত শেষ হয়। এ কারণে দিনে ব্রাইটনেস বাড়ানো থাকলেও রাতের দিকে যতটা সম্ভব তা কমিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি স্মার্ট ডিভাইসে অটো ব্রাইটনেস মোড অপশন রয়েছে। এটি সক্রিয় রাখলে আলোর ওপর নির্ভর করে ব্রাইটনেস স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রিত হয়।

নিজের যে ডিভাইসটি ব্যবহার করছেন, কতক্ষণের মধ্যে ফোনের স্ক্রিন লক হবে, তা নির্ভর করে স্ক্রিন টাইমআউটের ওপর। অ্য়ান্ড্রয়েডের সব ফোনের সেটিংসে রয়েছে ডিসপ্লে অপশন। সেখানেই রয়েছে স্ক্রিন টাইমআউট অপশন। ওই অপশনে ক্লিক করে স্ক্রিন টাইম বাড়ানো বা কমানো যায়। ডিভাইসে স্ক্রিন টাইমআউট যত কম সময় রাখা যাবে, ততটা ব্যাটারি সাশ্রয় হবে।

পূর্ণ চার্জে ডিভাইসে যেন দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারির চার্জ থাকে, সে জন্য সেভার মোড সক্রিয় করা প্রয়োজন। এটি সক্রিয় থাকলে ফোনের বেশ কিছু সেটিংস স্বয়ংক্রিয় পরিবর্তন হয়। এতে ব্যাটারির চার্জ দীর্ঘ হয়। ইনস্টল আছে, কিন্তু প্রয়োজন নেই- এমন অ্যাপ ও নোটিফিকেশন ফিচার বন্ধ হয়। ফলে একবার চার্জেই সারাদিন কাটিয়ে দেওয়া যায়।

ব্যাটারি চার্জ শেষ হওয়ার পেছনে নোটিফিকেশন অনেকাংশে দায়ী। কারণ, ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রতিটি অ্য়াপ সচল থাকে। এ কারণে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা প্রধান শর্ত।

সব ধরনের ডিভাইসে সবচেয়ে বেশি চার্জ নিঃশেষ করে লোকেশন পরিষেবা। কারণ, এ ক্ষেত্রে সব সময় জিপিএস কাজ করে। প্রয়োজন ছাড়া লোকেশন পরিষেবা থেকে বিরত থাকবেন। যেসব অ্যাপে লোকেশন বন্ধ রাখলেও কোনো সমস্যা হবে না, সেগুলো বন্ধ রাখাই শ্রেয়। এসব পরামর্শ চর্চা করলে ডিভাইসের ব্যাটারি হতাশ করবে না।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়