ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
‘সততা স্টোর’কে আরো গতিশীল করতে দুদকের অর্থায়ন

নতুন প্রাণ পাচ্ছে ‘সততা স্টোর’। দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের উদ্ভাবন মাধ্যমিক স্কুল ও মাদরাসায় স্থাপিত এই ‘সততা স্টোর’কে আরো গতিশীল করতে অর্থায়ন করা হচ্ছে। এ বছর কক্সবাজারের ৯টি উপজেলায় ১৮টি মাধ্যমিক স্কুল ও মাদরাসায় অর্থ বরাদ্দ করেছে দুদক। ‘সততা স্টোর’ গতিশীল করার মাধ্যমে কৈশোরেই শিক্ষার্থীরা লোভ-লালসা ত্যাগ করে সততার সঙ্গে বেড়ে ওঠার ‘হাতে-কলমে’ নতুন পাঠ গ্রহণ করবে বলে দুদক কর্মকর্তারা জানান।
দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক মামুনুর রশিদ বলেন, মানুষের ভালো গুণগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে সততা। পৃথিবীতে যত কঠিন কাজ আছে তার মধ্যে সবচেয়ে কঠিন হলো সৎ থাকা। লোভ-লালসা ত্যাগ করে সৎ থাকাটা খুবই কঠিন ব্যাপার। বর্তমান যুগে এই গুণটি বিরল। একেবারে তৃণমূল পর্যায় থেকে যেন সৎ ব্যক্তিত্ব উঠে আসে, সেজন্য দুর্নীতি দমন কমিশন বের করেছে এক অভিনব কৌশল। আর সেটি ‘সততা স্টোর’।
সততা স্টোর প্রসঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, জেলার সাধারণ সম্পাদক অনুপ বড়ুয়া অপু বলেন, আমরা মনে করি, ‘সততা স্টোর’ থেকে যেসব শিক্ষার্থী পণ্য কিনছে, পণ্য কেনার পাশাপাশি তাদের দিতে হচ্ছে সততা এবং বিবেকের পরীক্ষা। যে কেউ চাইলে এখান থেকে মূল্য পরিশোধ না করে চুপিচুপি পণ্য নিয়ে চলে যেতে পারবে কিন্তু তারা সেটা করছে না। কারণ, এটি একটি সততা চর্চাকেন্দ্র। সততার পরীক্ষায় আমাদের দৃষ্টিতে ‘ছোটরা’ হারতে চায় না।
"






































