ক্রীড়া ডেস্ক
অতটা চাপও নিচ্ছি না মারিয়া মান্দা

সংবাদ সম্মেলনে অন্য এক মারিয়া মান্দাকে দেখা গেল। সারাক্ষণ যার মুখে হাসি লেগে থাকে, তার মুখটা বিষণ্ণ, হাসিটুকু উধাও, কিছুটা চিন্তিতও। চিন্তার অবশ্য কারণও আছে, ভারতের বিপক্ষে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যে লড়তে হবে; চাপ-চিন্তা তো থাকবেই। মারিয়ার কাঁধে এবার দায়িত্বের বোঝা আরো ভারী। আগে ছিল শুধু মাঝমাঠ সামলানোর ভার। এবার যোগ হয়েছে, অধিনায়ক হিসেবে দলকে টেনে তোলার গুরুদায়িত্বও। তাই এখন সবদিকেই দৃষ্টি দিতে হচ্ছে।
গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় শুরু শিরোপা লড়াই। শুক্রবার সকালে ব্যাম্বোলিম অ্যাথলেটিক ক্লাব মাঠে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরেছে দল। সেখান থেকে দুপুরের সংবাদ সম্মেলনে আসা মারিয়াকে কিছুটা ক্লান্তও দেখাল। তবে লক্ষ্যে কথা জানাতে গিয়ে তার চোয়াল দৃঢ় হয়ে উঠল ঠিকই। ‘ফাইনাল ম্যাচ, সুযোগ পেয়েছি, আসলে সুযোগটা আমরা কাজে লাগাতে চাই। চাপ বলতে যে- এতটাও চাপ নিচ্ছি না। কেননা আমরা ভারতের সঙ্গে আগে খেলেছি এবং জানি তাদের সম্পর্কে। আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’
মনিকা চাকমার পায়ের চোট কিছুটা দুর্ভাবনা বাড়িয়েছে বাংলাদেশের। এছাড়া আছে গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে ৩-০ গোলে হেরে আসার চাপ। গোয়ার গ্যালারিতে থাকবে স্বাগতিক দেশের সমর্থকও। মারিয়া অবশ্য এসব পাত্তাই দিতে চাইলেন না। নেপালকে তাদের মাঠে দুই ফাইনালে হারানোর স্মৃতি আওড়ে বললেন, ফাইনাল ছাড়া আর কোনো কিছুর দিকেই দৃষ্টি দিচ্ছেন না তারা। ‘আমরা সবাই, দলের সব খেলোয়াড় ফিট আছে। ফাইনাল নিয়ে তো আমি বরাবরই বলে আসছি, যেহেতু সুযোগ পেয়েছি, সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই। আমরা জানি, ভারত অনেক ভালো দল। তো আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। আমরা ভারতের মাঠে এবার ফাইনাল খেলব, কিন্তু আমরা গত দুই সাফে যখন নেপালে খেলেছিলাম, সেখানে অনেক স্বাগতিক দর্শক ছিল; অনেক চাপ ছিল। তারপরও আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, ওগুলো মোকাবিলা করেছি।’
এখানেও ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে তেমনটা হতে পারে। আসলে মানসিকভাবে আমরা সবকিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমাদের মোকাবিলা করতেই হবে।
"









































