ক্রীড়া প্রতিবেদক
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
‘মুকুট ধরে রাখতে চাই’

ভারতের আধিপত্য গুঁড়িয়ে ২০২২ সালে প্রথম শিরোপা জয়, ২০২৪ সালে সেই মুকুট ধরে রাখার কীর্তি, সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সামনে এবার টানা তৃতীয়বার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের হাতছানি। অধিনায়ক মারিয়া মান্দা জানেন, এমন সুযোগ আসবে না বারবার। তাই সামর্থ্যরে সবটা দিয়ে ভারতের বিপক্ষে লড়তে চান তিনি ও তার দল।
গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে আজ শনিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে ফাইনাল। দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ এ প্রতিযোগিতায় রেকর্ড পাঁচ ট্রফির সর্বশেষটি ভারত জিতেছিল ২০১৯ সালে। এবার গ্রুপ পর্বের দেখায় সাফে বাংলাদেশের ১০ ম্যাচের অজেয় যাত্রার ইতি টেনেছে ভারত। ৩-০ গোলে মারিয়া-আফঈদাদের উড়িয়ে মানসিকভাবেও এগিয়ে তারা। নেপালকে সেমিফাইনালে হারিয়ে নানা প্রতিকূলতায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশ অবশ্য গুছিয়ে নিয়েছে অনেকটা। সংবাদ সম্মেলনে মারিয়ার কণ্ঠে তাই প্রতিপক্ষের প্রতি সমীহ থাকলেও নিজ দল নিয়ে ঝরল আত্মবিশ্বাস। ‘আমরা জানি, ভারত অনেক শক্তিশালী, তো আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়েছি। আগের ম্যাচগুলোয় যে ভুলগুলো করেছি, আজকের দিনটা ছিল সেগুলো শুধরে নেওয়ার। আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি, আমরা লড়াই করব। অধিনায়ক ও খেলোয়াড় হিসেবে খুব (রোমাঞ্চ কাজ করছে) মনের ভেতরে; কেননা শিরোপা জয়ের সুযোগ পেয়েছি আবার।’ ‘বিগত দিনে আমরা দুটি সাফ জিতেছি; তৃতীয়বারের মতো সুযোগ এসেছে। সবসময় তো আর এমন সুযোগ থাকে না। সুযোগটা পেয়েছি, এটা কাজে লাগানোর জন্যই আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে এসেছি, পরিশ্রম করে এসেছি। তো অবশ্যই ফাইনালে আমরা যেন দেশবাসীকে কিছু দিতে পারি, ভালো খেলা উপহার দিতে পারি, সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে আমরা লড়াই করব।’
নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালে সেরা ছন্দে ছিল না বাংলাদেশ। শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর, ঋতুপর্ণা চাকমার অলিম্পিক গোলে সমতায় ফিরে দল। পরে যোগ করা সময়ে প্রীতি রায়ের আত্মঘাতী গোলে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। মারিয়া বললেন, নেপাল ম্যাচের জয়ে দলের অন্দরে এখন বইছে আত্মবিশ্বাসের ফল্গুধারা।
‘প্রত্যেকটা ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ; ম্যাচে অনেক সময় পারফরম্যান্স ভালো বা খারাপ হয়ে যায়, আমরা হেরে যায়। আমাদের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করেই সবকিছু হয়। ভারতের বিপক্ষে হারের পর নেপালের বিপক্ষে আমরা জিতেছি, এটা আমাদের সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট। সেমিফাইনালে জিতে যে ফাইনালে আসতে পেরেছি, এটা আমাদের জন্য বড় কিছু এবং এতে করে আমাদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে আরো।’
"









































