প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক

  ০৫ মে, ২০২১

সরকারি কোম্পানিকে চলতে হবে নিজের টাকায় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মতো সরকারি সব সংস্থাকে নিজেদের টাকায় চলার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সরকারি সংস্থাগুলো তো নিজেরা আয় করে। তাহলে তারা কেন সেই আয়ের টাকা দিয়ে চলতে পারে না। কেন সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয়। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী গণভবনে থেকে ভার্চুয়ালি একনেক সভায় অংশ নেন। পরে পরিকল্পনামন্ত্রী তার দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে উদ্ধৃতি দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আপনি ব্যবসা করবেন, সেখানে তো আমি গিয়ে বুদ্ধি দিতে পারি না। আপনি ব্যবসা করেন, তাই আপনিই বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করুন। সকাল-সন্ধ্যায় যদি মন্ত্রী-সচিবরা সংস্থাগুলোকে বুদ্ধি দিতে যান, সেটা নিশ্চয়ই ভালো দেখাবে না।’

------
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেক সভায় ১১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ব্যয় মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকার দেবে ৮ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। বাকি টাকা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে।

অনুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলো হলো ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ‘অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন প্রকল্প।’ এ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৯৫ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২০২৩ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘সাইনবোর্ড-মোরেলগঞ্জ-রায়েন্দা-শরণখোলা-বগী সড়কের পানগুচি নদীর ওপর পানগুচি সেতু নির্মাণ প্রকল্প।’ এতে খরচ হবে ৯১২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ‘উপজেলা পর্যায়ে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পটি ১ হাজার ৬৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা খরচে বাস্তবায়ন করা হবে। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পে খরচ হবে ৫২৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘রাঙামাটি জেলার কারিগর পাড়া থেকে বিলাইছড়ি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।’ এটি ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা খরচে বাস্তবায়ন করা হবে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প।’ এ প্রকল্পে খরচ হবে ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে খরচ হবে ১ হাজার ৪৫২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ বিভাগের বাপবিবোর বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও ক্ষমতাবর্ধন (খুলনা বিভাগ) প্রকল্পে খরচ হবে ৩ হাজার ৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। খবর বাসস ও বিডিনিউজ।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close