নিজস্ব প্রতিবেদক
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা

বাংলাদেশকে একটি দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা চালু করা হবে। যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী কর্মবাজার-উপযোগী অন্তত একটি দক্ষতা-কৃষি, আইসিটি, বিদ্যুৎ, ইলেকট্রনিক্স, গ্রাফিক ডিজাইন, পর্যটন, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও সৃজনশীল শিল্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের সুযোগ পায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষার্থীর জন্য কারিগরি শিক্ষা চালুর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে নতুন বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ২ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে- ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’। এই বক্তৃতা বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও উপস্থিত রয়েছেন।
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৬ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এই বরাদ্দের পরিমাণ ৩৫ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমে ৩১ হাজার ৭১৮ কোটিতে দাঁড়ায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এই বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৪৭ হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ কমে দাঁড়ায় ৪১ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা।
একই মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে আগামী অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ কমিয়ে ১২ হাজার ৩৯৬ কোটি করা হয়।
"







































