ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০

তানজিম হোসেন, দোহার (ঢাকা)

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় হবে। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরোনো। ভারত সরকার সব সময় আমাদের পাশে আছে এবং থাকবে।’

একই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক একটি ঐতিহাসিক অবস্থানে রয়েছে। এ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সবসময় অটুট থাকবে।’

গতকাল বুধবার ঢাকার দোহার উপজেলার মালিকান্দা গ্রামে মহাত্মা গান্ধী আশ্রম পরিদর্শনে এসে তারা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহাত্মা গান্ধীর নামে গান্ধী-মুজিব ইনস্টিটিউশন অব টেকনোলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠান করার প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে। সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, জেলা আ.লীগের সহসভাপতি ফজলুল হক, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার, কেন্দ্রীয় মহিলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনারকলি পুতুলসহ অনেকে।

গান্ধী আশ্রম পরিদর্শনে এসে ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ‘আমি দোহারে এই গান্ধী আশ্রমের কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে শুনেছি। তাই এখানে আশার অনেক ইচ্ছা ছিল।’ প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ড. প্রফুল্ল চন্দ্র ঘোষের আমন্ত্রণে মহাত্মা গান্ধী দোহারের এই আশ্রমে দুইবার এসেছিলেন। প্রথম আসেন ১৯৩৭ সালে। তখন প্রফুল্ল ঘোষের দোহারের বাড়িতে সাত দিন অবস্থান করেছিলেন। এরপর ১৯৪৩ সালে এসে এ স্থানটি অন্তত দুই সপ্তাহ অবস্থান করেন।

 

 

"