বিনিয়োগনির্ভর উৎপাদন-কর্মসংস্থানই প্রবৃদ্ধির চাবিকাঠি: তিতুমীর

বাংলাদেশের আগামী দিনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বিনিয়োগনির্ভর উন্নয়ন মডেলের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৬ (বিডিসি ২০২৬)-এর এক অধিবেশনে তিনি বলেন, এমন একটি অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যেখানে বিনিয়োগ উৎপাদন বাড়াবে, উৎপাদন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং কর্মসংস্থান থেকে পাওয়া রাজস্ব শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যয় করা হবে।
ড. তিতুমীর বলেন, সরকার ধাপে ধাপে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সুশাসন ও অর্থনৈতিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের সংস্কার কর্মসূচির মূল ভিত্তি হলো বৈধতা, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা। করের হার না বাড়িয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, রাজস্ব ফাঁকফোকর বন্ধ এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আর্থিক খাতের সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, খেলাপি ঋণ ও ব্যাংক খাতের দীর্ঘদিনের সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে। কোনো বিষয় আড়াল না করে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
শিল্পায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে ড. তিতুমীর বলেন, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণ হবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বাংলাদেশকে প্রায় ৩ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সরকার কাজ করছে।









































