ক্রীড়া প্রতিবেদক
বৃষ্টি সত্ত্বেও ক্রিকেটপ্রেমীদের স্রোত

বাংলাদেশিদের কাছে ক্রিকেট এক আবেগের নাম। হারলে নেমে আসে রাজ্যের হতাশা। জিতলে গোটা জাতি মেতে ওঠে আনন্দে। আর মিরপুর শেরেবাংলায় ম্যাচ মানেই বর্ণিল রঙে রঙিন গ্যালারি। গতকাল ফাইনালকে ঘিরেও হোম অব ক্রিকেট মেতেছিল বর্ণিল উৎসবে। এমনকি বৃষ্টির বাগড়া সত্ত্বেও!
গতকাল মঙ্গলবার ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। কিন্তু দুপুর গড়ানোর আগেই মিরপুরে ক্রিকেটপ্রেমীদের স্রোত। আগের দিন টিকিট নামের সোনার হরিণ পেতে কম কষ্ট করতে হয়নি। সাকিব-মুস্তাফিজদের খেলা মাঠে বসে দেখতে গেট খোলার আগেই স্টেডিয়ামের বাইরে লম্বা লাইন।
মাঠে ঢোকার আগে কেউ মুখে জাতীয় পতাকা, আল্পনা কিংবা সাকিবদের নাম লিখে নিয়েছেন দুই গালে ও হাতে। শৌখিন শিল্পীরাও ফাইনালকে ঘিরে কিছু বাড়তি টাকা কামিয়ে নিয়েছেন। আফগানদের বিপক্ষে জয় দেখতে মুখে বাঘের মুখোশও পড়েছেন অনেকে। ছোট-বড় পতাকা নিয়ে হাজির হয়েছেন বিক্রেতারা। ছোট্ট পতাকা ১০ টাকা। আর বড় ৫০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে অনেকেই কিনেছেন প্রাণের লাল-সবুজ পতাকা।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে অনেকে আবার জার্সি গায়েও হাজির। যারা কিনতে পারেননি, তাদের জন্য মিরপুর স্টেডিয়ামের বাইরে অনেক কাপড় ব্যবসায়ী জার্সিও নিয়ে এসেছেন। দেড় শ থেকে শুরু করে দুই শ টাকার মধ্যে মিলেছে টাইগারদের জার্সি। ছিল রং-বেরঙের ক্যাপও। সেগুলোর দামও ক্রেতাদের হাতের নাগালে।
তবে কাল দুপুরের পর রাজধানীর আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যেতেই হতাশা নেমে আসে দর্শকদের মধ্যে। বিকেল গড়াতেই ঝরল বৃষ্টি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আকাশের আর্তনাদ থামার নাম-গন্ধ নেই! ঢেকে রাখা হয়েছিল উইকেট ও এর চারপাশ। তবু গ্যালারিতে বসে দেশের খেলা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন হাজার-হাজার দর্শক। তাদের অনেকে বৃষ্টি থামার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনাও করছিলেন।
"









































