ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

  ১ ঘণ্টা আগে

ভালুকায় জমি নিয়ে বিরোধ

মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও (গৌরীপুর) এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্রকরে দাদা-নাতির পাল্টাপাল্টি মানববন্দন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) উপজেলা সিডষ্টোর বাজারে একটি রেস্টুরেন্টে নাতি দুলাল শিকদার এই সম্মেলনের আয়োজন করেন।

এর আগে বুধবার (২২ জুলাই) একই ঘটনায় দাদা সাহেব আলী শিকদারের নেতৃত্বে গৌরীপুর এলাকায় স্থানীয় ভাবে মানববন্দন অনুষ্ঠিত হয়।

সাহেব আলী শিকদারের নেতৃতে মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, প্রতারণার মাধ্যমে একটি হেবা ঘোষণাপত্র দলিল তৈরি করে প্রকৃত মালিক ও ওয়ারিশদের জমি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রকৃত মালিকদের সম্মতি ছিল না। তাই নিরপেক্ষ তদন্দের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন, কথিত দলিল বাতিল এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তারা।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে নাতি দুলাল শিকদার দাবী করেন, গত বুধবার অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তাঁকে এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। আদালতে বিচারাধীন একটি বিষয় নিয়ে একতরফা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, একটি কুচক্রী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তাঁর বয়োবৃদ্ধ দাদা সাহেব আলী শিকদারকে ভুল বুঝিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা করছে।

দুলাল শিকদার বলেন, তাঁর দাদা সাহেব আলী শিকদার সম্পূর্ণ সুস্থ মস্তিষ্কে ও স্বেচ্ছায় তাঁর অনুকূলে ১৬১ শতাংশ জমি হেবা দলিল করে দেন। পরবর্তীতে ২৮০ শতাংশ জমির একটি যৌথ দলিলও সম্পন্ন হয়। দলিল সম্পাদনের সময় শামসুল শিকদার, চাচাতো ভাই কামরুল শিকদারসহ অন্যান্য শরিক উপস্থিত ছিলেন বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, উক্ত জমি নিয়ে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ ৩য় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এবং আদালতের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে তিনি দাবী করেন। এ সময় মনির শিকদার ও কামরুল শিকদার উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়