দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

  ১৩ জানুয়ারি, ২০২১

দৌলতপুরে বন বিভাগের মালি কবির হোসেন বলে কথা!

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বন বিভাগের মালি কবির হোসেনই বন বিভাগের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এখানে কোন কর্মকর্তা আসেন না তাই মালী থেকে শুরু করে কর্মকর্তার কাজ সবই করে আসছেন কবির হোসেন। ফলে তার দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ।

গাছের চারা উৎপাদন, পরিচর্যা ও বিক্রয়, গাছের নিলাম, বিক্রয়, বনায়নসহ নানাবিধ কর্ম সম্পাদন করে থাকেন তিনি। এখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া জেলা শহরে থাকেন। কোন মাসে আসেন আবার কোন মাসে আসেন না। 

গত দুদিন ধরে গোয়ালগ্রাম-শরিষাডুলি-নাটনাপাড়া সড়কের বনায়ন কর্মসুচির আওতায় বন বিভাগ সমিতির ৫৯জন উপকারভোগীর জনপ্রতি লাভের অংশ ৪৬০১ টাকার চেক বিতরণকালে ৫শ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বন বিভাগের মালির বিরুদ্ধে। 

জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি সামাজিক বন বিভাগ সমিতির আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও জেলা সামাজিক বন বিভাগ কর্মকর্তা। ঐ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচের নামে ৫৯জন উপকারভোগীদের মাঝে ৪৬০১ টাকার চেক প্রদান করার সময় নগদ ৫শ টাকা নেয়ার পরই চেক দিয়েছে মালী কবির হোসেন। 

উপকার ভোগীরা জানায়, দৌলতপুর উপজেলা সামাজিক বন বিভাগের একমাত্র কর্মচারী কবির হোসেন উপকারভোগীদের চেক প্রদানের সময় বিভিন্ন খরচের কথা বলে তাদের কাছ থেকে নগদ ৫শ টাকা নিয়ে তারপর চেক দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ব্যাপারে অভিযুক্ত মালী কবির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিষয়টি কাউকে না বলার কথা বলেন এবং নানাভাবে এই প্রতিবেদককে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

উপজেলা বন সম্প্রসারন কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি তেমন কিছুই জানিনা। তিনি নিয়মিত অফিসে আসেন না। তাই যাবতীয় কাজ কর্মচারী কবির সম্পাদন করে থাকেন বলে তিনি জানিয়েছেন। 

পিডিএসও/এসএম শামীম

 

দৌলতপুর,বন বিভাগ
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়