reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ৮ ঘণ্টা আগে

ব্যবসায়িক সম্ভাবনা নিয়ে ঢাকায় এডিবির সেমিনার

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) গতকাল ঢাকায় ‘বিজনেস অপরচুনিটিজ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করেছে। এডিবি ও বিশ্বব্যাংক (ডব্লিউবি) অর্থায়িত প্রকল্পসমূহ থেকে উদ্ভূত ব্যবসায়িক সুযোগ তুলে ধরতেই এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত, ঠিকাদার, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান, সরবরাহকারী এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮ শতাধিক প্রতিনিধি এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উন্নয়ন প্রকল্পে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অংশগ্রহণ জোরদার করাই ছিল এর লক্ষ্য।

এডিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে এডিবি ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন করা প্রকল্পগুলোর আওতায় আসন্ন বিনিয়োগ কর্মসূচি, ক্রয় সংক্রান্ত সুযোগ, বেসরকারি খাতের কার্যক্রম এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনা সম্পর্কে তথ্য বিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে এ সেমিনার।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এস এম মঈন উদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সঙ্গীতা আহমেদ অংশ নেন।

উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর আকিরা মাতসুনাগা, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও এডিবি উইং প্রধান এস. এম. জাকারিয়া হক।

আকিরা মাতসুনাগা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন আঙ্খক্ষা বাস্তবায়নে শুধু অর্থায়নই নয়, শক্তিশালী অংশীদারিত্ব এবং কার্যকর বাস্তবায়নও প্রয়োজন। আজকের এই সেমিনারের মতো প্ল্যাটফর্ম সরকার, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে, যা টেকসই উন্নয়ন ফলাফল অর্জনে সহায়ক।

জ্যঁ পেম বাংলাদেশের উন্নয়নের পরবর্তী ধাপকে এগিয়ে নিতে উন্নয়ন সহযোগী, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদিকে জাকারিয়া হক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধি সমর্থনকারী একটি শীর্ষ বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ব্যাংক।

সদস্য দেশ ও অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে এডিবি।

উদ্ভাবনী আর্থিক উপকরণ ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, মানসম্পন্ন অবকাঠামো নির্মাণ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবির সদস্য সংখ্যা ৬৯, যার মধ্যে ৫০টি দেশ ও অর্থনীতি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়