চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
ভোলাহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আসাদুল হক (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার দলদলি ইউনিয়নের মুশরীভূজা-বটতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরো ৭-৮ জন। এদের মধ্যে আসাদুলসহ ৬ জনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করলে পথেই তিনি মারা যান। একইসঙ্গে আসাদুলের বাড়িসহ দুটিতে আগুন দেয় প্রতিপক্ষরা। নিহত আসাদুল হক ওই গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভোলাহাট থানার ওসি আবদুল বারিক।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলাহাটের মুশরীভূজা গ্রামের ইলিয়াস-বাবুল পক্ষের সঙ্গে আসাদুল ও আশরাফুলের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে রাজধানী ঢাকাতে প্রতিপক্ষের লোকজন আসাদুলের লোককে মারধরের অভিযোগ তুলে। এ ঘটনা জানজানি হলে দুই পক্ষ আবারও বিবাদে জড়ায়। এরই একপর্যায়ে লাঠি ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে দুই পক্ষের লোকজনই আহত হন। পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে আসাদুলসহ মোট ৬ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে উপজেলার ফলিমারি বিলে দুপুর আড়াইটার দিকে আসাদুল মারা যান। বর্তমানে আসাদুলের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে। ভোলাহাট থানার ওসি আবদুল বারিক জানান, পূর্বশত্রুতার বিরোধে প্রতিপক্ষরা সংঘর্ষে জড়ালে ইলিয়াস-বাবুলের লোকজন আহত হন। এ ঘটনায় তাদের পক্ষের দুজনের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে আসাদুলসহ দুটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
তিনি আরো জানান, পুলিশ এরই মধ্যে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুতের কাজ করছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. শোভন পাল বলেন, হাসাপাতালে ৭-৮ জন আহত অবস্থায় এসেছিলেন। এর মধ্যে নিহত আসাদুলসহ ৬ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছিল।
"





































