মৃণাল সরকার মিলু, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)

  ৪ ঘণ্টা আগে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ : স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অচল জেনারেটর

মোবাইল ফোনের আলোয় চলে চিকিৎসা, রাতে ভুতুড়ে পরিবেশ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তেলের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না জেনারেটর। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে জেনারেটরটি। লোডশেডিংয়ের সময় বন্ধ থাকছে অস্ত্রোপচার। টর্চ কিংবা মোমবাতি জ্বালিয়ে চলে হাসপাতালের জরুরি কার্যক্রম। রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

জানা যায়, সেবামান বাড়াতে ২০১৪ সালে ৩০ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয় তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রোগীর অপারেশনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য নির্বিঘ্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হাসপাতালে একটি জেনারেটর বরাদ্দ দেওয়া হয়।

তবে জ্বালানি তেলের প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে জেনারেটরটি। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে দুর্ভোগে পড়ছেন রোগী ও স্বজনেরা। প্রায়ই বন্ধ থাকছে অস্ত্রোপচারও।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা স্বর্ণা রানী বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে ভুতুড়ে পরিবেশ তৈরি হয়। মেয়েরা ওষুধ ও খাবার পানি টিউবওয়েল থেকে নিয়ে আসতে ভয় পায়।

শেফালী খাতুন বলেন, তীব্র তাবদাহের ফলে এমনিতে জীবন ওষ্ঠাগত। তার ওপর বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীরা হাঁসফাঁস করেন। তারা আরো অসুস্থ হয়ে পড়েন।

সাইফুল ইসলাম নামের এক রোগী অভিযোগ করে বলেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতাল ভবন তৈরি করা হয়েছে, জেনারেটর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জেনারেটরই যদি না চলে এগুলোর দরকার কী?

লোডশেডিংয়ের সময় মোমবাতি ও টর্চলাইট জ্বালিয়ে জরুরি সেবা দিতে হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকেরা।

তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম বলেন, তেল সংকটের কারণে জেনারেটর বন্ধ রয়েছে। আমরা বিদ্যুতের ডবল ফিডারের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাব দিয়েছি।

লাইনটি চালু হলে আশা করছি বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়