আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

  ২৬ মার্চ, ২০২২

৪০ দিনের কর্মসূচিতে হতদরিদ্রদের স্বস্তি

আমতলীতে গ্রামীণ কাঁচা সড়ক সংস্কার

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের গ্রামীণ রাস্তাঘাট সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৪০ দিনের কর্মসূচিকে সাধারণত রাস্তা, ধসে যাওয়া রাস্তার পাড় সংস্কার করা হয়। এতে দীর্ঘদিন থেকে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়া রাস্তাগুলো আবারও চলাচলের উপযোগী হয়ে উঠছে। সেইসঙ্গে ইউনিয়নের হতদরিদ্র কর্মহীন মানুষগুলো শ্রমিক হিসেবে এ কর্মসূচিতে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এতে তারাও আর্থিকভাবে কিছুটা হলেও লাভবান হচ্ছেন।

অতিদরিদ্রদের জন্য ৪০ দিনের কর্মসংস্কান কর্মসূচির আওতায় আমতলী উপজেলার ইউনিয়নের রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে। সরেজমিনে হলদিয়া ইউনিয়নে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তায় সংস্কারের কাজ করছেন শ্রমিকরা। স্থানীয়রা জানান, আবারও মাটি তোলার কারণে কিছুটা হলেও রাস্তাঘাটে চলাচল করা যাবে।

ছোনাউঠার হানিফ মৃধার বাড়ি থেকে শুরু হয়ে মোশারেফ হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত একটি প্রকল্প। অপর একটি প্রকল্প ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামের হারুন মিয়ার বাড়ি থেকে আপ্তের হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। শিক্ষক হারুন অর রশিদ জানান, রাস্তা সংস্কার হওয়ার কারণে সবার চলাচল সহজ হবে। শ্রমিকরা সুন্দরভাবে কাজ করছেন। বর্ষার সময় কাদা থেকেও অনেকটা রেহাই পাওয়া যাবে। তবে আমরা এলাকাবাসীর পক্ষে দাবি জানাই রাস্তাটি যেন ইটের হেয়ারিং করা হয়।

এদিকে মাটি কাটার কাজ করা দলিল উদ্দিন নামের এক শ্রমিক বলেন, ৪০০ টাকা করে মজুরি পাবেন তিনি। ৪০ দিন কাজ করলে ১৬ হাজার টাকা পাবেন। আগামীতেও যেন আরো কাজ তাদের দেওয়া হয় সেই দাবি জানান তিনি।

হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক জানান, ইউনিয়নে বর্তমানে ৪০ দিনের কর্মসূচি চলমান রয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচি শেষ হবে এ মাসেই। চলমান এ কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের বেশকিছু রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে হতদরিদ্রদের কাজের সুযোগ হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান বলেন, অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। হলদিয়া ইউনিয়নে ১৭৯ জন শ্রমিক ৪০ দিন করে কাজের সুযোগ পেয়েছেন। বছরে দুবার করে এ কর্মসূচির আওতায় কাজ করা হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি গ্রামীণ অবকাঠানোর উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে হতদরিদ্রদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে। ইউএনও এ কে এম আবদুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, হলদিয়ায় ৪০ দিনের কাজ সরকারি বিধি মোতাবেক হচ্ছে। শ্রমিকরা কাজ পেয়ে অত্যন্ত খুশি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়