reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ২৩ জুন, ২০২২

বিজ্ঞান জাদুঘরে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ওপর সেমিনার

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুফল প্রয়োগ করে কীভাবে আর্থসামাজিক পরিবর্তন, জীবনমান উন্নয়ন এবং সেবা প্রদানকে সহজ ও নির্বিঘ্ন করা যায়, তা নিয়ে এক কর্মশালা জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে গতকাল অনুষ্ঠিত হয়। সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা এতে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বিআইজিএমের পলিসি অ্যানালাইসিস কোর্সের ১৫তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর। এ ছাড়া অংশ নেন মো. ইমতিয়াজ হোসেন (যুগ্মসচিব) সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বিজ্ঞান জাদুঘরের কর্মকর্তারা।

সভায় ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ উন্নয়নের একটি রূপরেখা উপস্থাপন করা এবং এ লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রযুক্তিবান্ধব হওয়ার ওপর আলোকপাত করা হয়। সরকারের ডিজিটাল রূপকল্প বাস্তবায়নে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ভূমিকাও এতে তুলে ধরা হয়। সেমিনারে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা ও সদ্ব্যবহার নিশ্চিত এবং মানুষের সৃজনশীলতাকে ঊর্ধ্বে রেখেই প্রযুক্তি প্রয়োগ করতে হবে। মানুষকে বিলুপ্ত করে নয়, মানুষ ও যান্ত্রিকতার সমন্বয়ে প্রযুক্তিকে কার্যকর করতে হবে। রোবট মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, মানুষ যেন রোবট বা প্রযুক্তির দাস না হয়। বিশেষত মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিকে দক্ষভাবে কাজে লাগাতে হবে।’ সেমিনারে আরো বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সত্যজিত রায় দাশ এবং বিজ্ঞান জাদুঘরের সিনিয়র কিউরেটর সুকল্যান বাছাড়। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিজ্ঞান জাদুঘরের পরিচালক একেএম লুৎফুর রহমান সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের বিজ্ঞান জাদুঘরের পক্ষ থেকে স্মারক উপহার প্রদান করা হয় এবং প্রশিক্ষণার্থীরা বিজ্ঞান জাদুঘরের গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখেন। বিজ্ঞপ্তি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close