রেজাউল করিম খোকন

  ০২ আগস্ট, ২০২৩

দৃষ্টিপাত

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত হোক

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কিনতে পারেন না এমন মানুষ যেসব দেশে বেশি, সেসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। বাংলাদেশে এখন ১২ কোটি ১০ লাখ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে পারেন না। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কেনার সামর্থ্য তাদের নেই। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে সেই চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশের ওপরে আছে ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও চীন। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেয়ে পুষ্টিমান অর্জন করতে এটি বড় বাধা। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) দ্বিতীয় লক্ষ্য ক্ষুধামুক্তিতে (জিরো হাঙ্গার) ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও পুষ্টিমান অর্জনের কথা বলা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের কতসংখ্যক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কেনার সক্ষমতা নেই, বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সেই চিত্র উঠে এসেছে। এবার দেখা যাক, কোন দেশে কতসংখ্যক মানুষ মানসম্পন্ন খাবার কিনতে পারেন না। ভারতে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কিনতে পারেন না। দেশটির ৯৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষ মানসম্পন্ন খাবার পায় না। ভারতেও প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠীর এ দশা। দ্বিতীয় স্থানে আছে আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া। দেশটির প্রায় ১৯ কোটি ৮০ লাখ মানুষ পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার পায় না। তৃতীয় স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ায় ১৮ কোটি ৯০ লাখ, চতুর্থ স্থানে থাকা পাকিস্তানে ১৮ কোটি ৪০ লাখ এবং পঞ্চম স্থানে চীনে প্রায় ১৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কেনার সামর্থ্য নেই। এ ছাড়া ইথিওপিয়ায় প্রায় ১০ কোটি, কঙ্গোতে ৮ কোটি, ফিলিপাইনে সাড়ে ৭ কোটি ও মিসরে ৭ কোটি ৪০ লাখ মানুষের এমন দশা। এর বাইরে পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালে আড়াই কোটি মানুষ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কায় ১ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায় না।

২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সব মানুষ যাতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) দ্বিতীয় লক্ষ্য হিসেবে ক্ষুধামুক্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি এসডিজি অর্জনে ১৭টি লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতি কেমন, তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। ‘অ্যাটলাস অব সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস ২০২৩’ শিরোনামের এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৭ কোটি। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বিবেচনায় আনলে বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কিনতে পারেন না। গত কয়েক দশকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, দারিদ্র্য কমেছে। না খেয়ে থাকার প্রবণতা নেই বললেই চলে। কিন্তু গরিব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির পাতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ওঠেনি। স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের উচ্চমূল্যের কারণে তারা তা কিনতে পারছেন না। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুষম বণ্টন হওয়া উচিত। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার কেনার চ্যালেঞ্জ আরো বেড়েছে। এসডিজির দ্বিতীয় লক্ষ্য ‘ক্ষুধামুক্তি’তে বেশ কিছু লক্ষ্য আছে। যেমন : ২০৩০ সালের মধ্যে পৃথিবী হবে ক্ষুধামুক্ত। প্রত্যেক নাগরিক পুষ্টিসম্পন্ন খাবার খাবে। এ সময়ের মধ্যে সব ধরনের অপুষ্টি দূর হবে। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে কৃষি উৎপাদন দ্বিগুণ করতে হবে। আর সব ধরনের কৃষি উৎপাদন টেকসই পদ্ধতিতে হবে।

করোনার অভিঘাতের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বে খাবার ও জ্বালানির দাম বেড়েছে। বাড়তি মূল্যস্ফীতির কারণে অনেক দেশই হিমশিম খাচ্ছে। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার নিয়মিত সাময়িকীতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বের ৪৫টি দেশে বাড়তি খাদ্য আমদানির প্রয়োজন হওয়া দেশের মধ্যে ৩৩টিই আফ্রিকার। খাদ্য দুষ্পাপ্য হওয়ায় অপুষ্টিজনিত রোগব্যাধি যেমন বাড়বে, তেমনি মানুষের মধ্যে পুষ্টিহীনতাও বাড়বে। বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশেরও নাম রয়েছে ওই তালিকায়। তবে চালসহ মৌলিক খাদ্যের বেশির ভাগই দেশীয় জোগাননির্ভর হওয়ায় সরবরাহ নিয়ে আগামী কিছুদিন বাংলাদেশের দুশ্চিন্তা কিছুটা কম। স্বাভাবিক সময়ে দেশের চাহিদার ৯৫ শতাংশ ধান-চালের জোগান দেশীয় কৃষিক্ষেত্র থেকেই আসে। আর কিছুটা সংকট দেখা দিলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ চাল আমদানি করতে হয়। ১৯৮৮ সালে প্রণীত সরকারের বর্তমান খাদ্যনীতির উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রয়োজনীয় খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করার মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, কৃষকদের অধিক খাদ্য ফলনে উৎসাহ প্রদান, ফসল তোলার সময় কৃষকদের কাছ থেকে ভর্তুকি মূল্যে বা উৎসাহব্যঞ্জক মূল্যে শস্য ক্রয়, দেশে উৎপাদিত শস্যের সুষ্ঠু সরবরাহ এবং বিতরণব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, নিম্ন আয়ের ব্যক্তির কাছে খাদ্যপ্রাপ্তি সহজ করা, শস্যের উৎপাদন খরচ এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সংগতি রেখে খাদ্যমূল্য স্থির রাখা, উৎপাদিত কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে সংগৃহীত খাদ্যের যথাযথ সংরক্ষণ, দুর্যোগকালীন অবস্থা মোকাবিলার জন্য ‘খাদ্য মজুদ’ ব্যবস্থা অথবা দুঃসময়ে ব্যবহৃত শস্যভাণ্ডার গড়ে তোলা, খাদ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে শক্তিশালী করে ক্রমান্বয়ে খাদ্যে ভর্তুকি কমিয়ে আনা ইত্যাদি। এগুলো অর্জনের জন্য ২০টি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সামনে রেখে ৩২টি নির্দেশমালা প্রস্তুত করা হয়। খাদ্যনীতিমালা কখনো কখনো লক্ষ্য অর্জনের জন্য নির্ভরযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করারও পরামর্শ দেয়। নীতিমালার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে ধীরে ধীরে খাদ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং জনপ্রতি খাদ্যগ্রহণের মাত্রা বাড়িয়ে প্রতিদিন তা জনপ্রতি ১৬ আউন্সে উন্নীত করা। সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির ধাক্কায় ছয় মাস ধরেই বাংলাদেশে চাল-আটার বাজার ঊর্ধ্বমুখী। দীর্ঘ সময় ধরে দেশে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। এতে একদিকে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষের উপার্জন কমে গেছে। আয় কমে যাওয়া ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিশেষ করে স্বল্প ও মধ্য আয়ের মানুষের হাতে উদ্বৃত্ত অর্থ থাকছে কম। মূল্যস্ফীতির ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। এখন ব্যয় যতটা বেড়েছে, আয় ততটা বাড়েনি। পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য মানুষকে আগের তুলনায় বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে তার বক্তব্যে মন্দা ও দুর্ভিক্ষের সম্ভাবনার কথা বলছেন। বিশ্বমন্দার বিষয়টি বাংলাদেশের হাতে নেই। এটি বৈশ্বিক পরিস্থিতি। বাংলাদেশের এককভাবে মন্দা থেকে রক্ষা পাওয়ার সুযোগ নেই। এরই মধ্যে মন্দার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি আঘাত আসে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর। দেশে নানা কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা লোকসংখ্যা বেড়েছে। ফলে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ত্বরান্বিত করে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করতে হবে। এখন থেকেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিশ্বমন্দার যে প্রবল আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে, এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। পরিস্থিতি খুব একটা খারাপ না, অনেক দেশের তুলনায় ভালো। তবু অন্যান্য কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা লোকের সংখ্যা বেড়েছে। তাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর বরাদ্দ বাড়াতে হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তার জন্য যে বরাদ্দ তা যেন সুষ্ঠুভাবে বিতরণ হয় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার চেষ্টা করছে। প্রায় ১ কোটি লোকের টিসিবির মাধ্যমে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। সেটা যেন সুষ্ঠুভাবে বিতরণ হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। ১ কোটি পরিবারের খাবারের যে কথা বলা হচ্ছে, এটা আরো বাড়ানো উচিত। তবে এতটা আতঙ্কিত না হয়ে খাদ্য পরিস্থিতি এখন থেকে মোকাবিলা করার চিন্তা করতে হবে। বাংলাদেশের কৃষির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে গেছে। খাদ্য নিরাপত্তার পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চিন্তা আমাদের রয়েছে। এদিক থেকে চিন্তা করলে আমাদের অবস্থা এত খারাপ নয়। মন্দার চাপ অবশ্যই পড়ছে। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের ভেতরের কিছু জায়গায় চাপ পড়ছে। কিন্তু আমরা যদি কৃষির উৎপাদন ঠিকমতো করতে পারি, খুব বেশি সমস্যা হবে না। সারা বিশ্বে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা থাকলেও এ মুহূর্তে বাংলাদেশ অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য দরকার মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, সবজির পর্যাপ্ততা। আর পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য উল্লিখিত পণ্যগুলো সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহের ব্যবস্থা করা বড় প্রয়োজন। বাংলাদেশে সবজি, মাছ ও ধান উৎপাদন যে পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে, তা ঠিকমতো এগিয়ে গেলে সঠিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে, নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে খাদ্য রপ্তানিকারক দেশ হতে পারে বাংলাদেশ। পুষ্টি নিরাপত্তায় চালের বাইরে অন্যান্য খাবার গ্রহণ বাড়াতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের খাদ্যগ্রহণের চিত্রে একমাত্র চালের পর্যাপ্ততা আছে। দিনে জনপ্রতি সাড়ে ৩০০ গ্রাম ভাত দরকার। সেই জায়গায় বাংলাদেশের মানুষ গড়ে ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ গ্রাম ভাত খায়। বাংলাদেশ এখন চাল উৎপাদনে বিশ্বের তৃতীয় দেশ। দেশে প্রতিদিনই কৃষিজমি কমছে। সেখানে আমাদের প্রধান পণ্য চাল উৎপাদনের ধারাবাহিক যে সফলতা আসছে, তার বড় অবদান আমাদের কৃষকদের। সেই সঙ্গে কৃষি বিজ্ঞানীদের সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া নীতি সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বে এ বছর ‘দুর্ভিক্ষের মতো খারাপ পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবার্তা খুবই সময়োচিত।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা খাদ্য সংকটের যে ঝুঁকির কথা বলছে, তাতে আছে বাংলাদেশের নামও। যদিও সহসা খাদ্য সংকট তৈরির স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত সরকারের কোনো সংস্থার পরিসংখ্যানে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয়নি। দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে খাদ্যশস্যসহ মাছ, পোলট্রি, তরিতরকারি, শাকসবজি ও ফলফলাদির উৎপাদন বাড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে, খাদ্যপণ্য বলতে শুধু চাল ও গমই বোঝায় না, আরো অনেক কিছুই খাদ্যপণ্যের অন্তর্গত। কাজেই কৃষিতে উৎপাদনের একটা জোয়ার তৈরি করতে হবে। কৃষি, খাদ্য, বাণিজ্য ইত্যাদি মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে বসে একটা মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও উপায় নির্ধারণ করতে হবে এবং কাজে নেমে পড়তে হবে। এ ব্যাপারে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে জনগণ উদ্বুদ্ধ হয়ে উৎপাদন বিপ্লবে শরিক হতে পারে। একই সঙ্গে গণমুখী কর্মসূচি, উৎপাদনমুখী প্রকল্প, বিনিময়মূলক কার্যব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একদিকে খাদ্যসংস্থান, অন্যদিকে কর্মের ব্যবস্থা করতে পারলে খাদ্যাভাব বা দুর্ভিক্ষ রোধ করা সহজ হবে। তাই সরকারের উচিত হবে খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে দরিদ্র মানুষ যাতে খাদ্য পায় তার ব্যবস্থা করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি একাধিক বক্তব্যে মন্দা ও দুর্ভিক্ষের সম্ভাবনার কথা বলেছেন। সরকারপ্রধান খাদ্যের অপচয় না করা এবং খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়াতে হবে। দেশের সব মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক : সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ও কলাম লেখক

[email protected]

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়