ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

  ৮ ঘণ্টা আগে

দুই জেলায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ৮ জন নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় যাত্রীবাহী একটি লোকাল বাস ও হবিগঞ্জে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বৈশামোড়া এলাকায় দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন, সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার আরস আলী মুন্সি (৭০), শিশু আলিফ, হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌসুমি দাস (৩০) ও নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামের তনয় কুমার মজুমদার।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসি আবু তাহের জানান, মাধবপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে যাওয়ার পথে দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বৈশামোড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের চাপের মুখে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও হাইওয়ে পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

এছাড়া ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বৈশামোড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীবাহী লোকাল বাসটি মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বৈশ্বামোড়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তেই বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের জানান, হবিগঞ্জের মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে দিগন্ত পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মেড্ডা বাসস্ট্যান্ডে আসছিল। পথিমধ্যে বৈশ্বামোড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক চাপ দিলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের ৪ যাত্রী নিহত হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল সরকার বলেন, আমাদের কাছে এখনো কোনো মরদেহ আসেনি। আহত ৬ জন এসেছে, তাদের আমরা চিকিৎসা দিয়েছি। সবার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়