ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি

  ৮ ঘণ্টা আগে

ধামইরহাট

রাস্তা বন্ধ করায় কৃষকের ভোগান্তি

নওগাঁর ধামইরহাটে কৃষি কাজের জন্য কৃষকের মাঠে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করা করে দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষকরা ইরি ধান কাটা ও ওই রাস্তা দিয়ে ধান মাড়াই মেশিন আনতে না পারায় ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন। তাদের বিভিন্ন প্রকার ভোগান্তি বেড়েছে। রাস্তা খুলে দেওয়ার পাশাপাশি রাস্তার উপর গো-মূত্র ও ময়লা পানি ফেলা বন্ধ করার দাবিতে ওই গ্রামের মাসুদ হাসানসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী এক কৃষক। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

ধামইরহাট থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধামইরহাট ইউনিয়নের বড় মইশড় গ্রামের পূর্ব-উত্তর দিক থেকে একটি কাঁচা রাস্তা বের হয়ে গ্রামের পূর্ব মাঠ এবং উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন এলাকাবাসী। ওই রাস্তা দিয়ে গ্রামের কৃষকরা জমির ফসল নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে রাস্তার পার্শ্বের বাড়ি মৃত আশরাফ আলীর ছেলে মো. মাসুদ হাসান (৫২) মানুষের চলাচলের বাধা সৃষ্টি করে রাস্তার পার্শ্বে এসএস তালের বেড়া এবং রাস্তার উপর তার নিজবাড়ির গরু-ছাগলের মলমূত্র এবং গৃস্থালির সব পানি ফেলে। এতে কাঁচা রাস্তাটি মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

এ ব্যাপারে ওই এলাকার কৃষক এবং রাস্তাসংলগ্ন বাড়ির মালিক মো. ফারুক আজিজ বলেন, চলতি ইরি মওসুমে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় ধান মাড়াইয়ের মেশিন আসতে না পারায় তার প্রায় ১৫০ মণ ধান খলিয়ানে নষ্ট হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দুই লাখ ১০ হাজার টাকা। অপর কৃষক মো. মোকছেদুল ইসলাম বলেন, এ রাস্তা দিয়ে আমরা কৃষকরা দীর্ঘদিন যাবত মাঠে যাওয়া-আসা করি এবং মাঠের ফসল ঘরে তুলি। বাড়ির গৃস্থালির পানি রাস্তার উপর দিয়ে প্রবাহিত করায় রাস্তাটি চলাচল করা যায় না। এতে কৃষকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অবশেষে গত শনিবার রাতে কৃষক ফারুক আজিজ বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. মাসুদ হাসান বলেন, যে রাস্তাটির কথা বলা হচ্ছে সেটি আমার নিজস্ব জায়গা। পূর্বে বাঁশ দ্বারা ঘেরা ছিল বর্তমানে এসএস তার দ্বারা ঘেরা হয়েছে।

ধামইরহাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শন (এএসআই) মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশমত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সত্যিই রাস্তার পরিস্থিতি করুণ। রাস্তার উপর নোংরা পানি ও মলমূত্র ফেলার কারণে মানুষের চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। পরিদর্শন শেষে অফিসার ইনচার্জকে পুরো বিষয় অবগত করেছি।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়