পলাশী ট্র্যাজেডির সেই দিন আজ

আজ ২৩ জুন মঙ্গলবার, ঐতিহাসিক পলাশী দিবস।
১৭৫৭ সালের এই দিনে পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়। ২৬৯ বছর আগের এই দিনে নদিয়া জেলার পলাশীর প্রান্তরে রবার্ট ক্লাইভ, মীরজাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লতিফ চক্র এই কালো দিবসের জন্ম দেয়। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে এক প্রহসনের যুদ্ধে স্বাধীনতা হারানো বেদনাদায়ক সেই কালো দিনটি প্রতি বছর পলাশী দিবস হিসেবে পালিত হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে।
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সিংহাসন থেকে উচ্ছেদে দুজন খ্যাতিমান ব্রিটিশ সেনাপতি ক্যাপ্টেন ক্লাইভ ও অ্যাডমিরাল ওয়াটসনের নেতৃত্বে একদল সৈন্যকে জাহাজে মাদ্রাজ থেকে বাংলায় পাঠানো হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল নবাবকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করে বাংলার মসনদ দখল করা।
ব্রিটিশ বাহিনী ক্ষমতা দখলে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়। এই অধ্যায় সৃষ্টির পেছনে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন বিশ্বাসঘাতক জগৎ শেঠ, মীরজাফর, মাহতাব চাঁদ, উমিচাঁদ বা আমির চন্দ, মহারাজা স্বরূপচাঁদ, ইয়ার লতিফ, রায়দুর্লভ, ঘসেটি বেগমের ক্ষমতার লোভ। রাজা রাজবল্লভ, মহারাজ নন্দকুমার, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়, রানী ভবানী প্রমুখের কৌশলী চক্রও এর পেছনে সক্রিয় ছিল।
সেই ষড়যন্ত্র গড়ায় পলাশীর প্রান্তরে। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে ২৩ মাইল দক্ষিণে ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর প্রান্তরে সংঘটিত হয় দেশমাতৃকা রক্ষার যুদ্ধ। যুদ্ধক্ষেত্রে এই স্বার্থান্বেষী ষড়যন্ত্রীদের শিকার ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং তার বিশ্বস্ত সেনাপতি বকসী মীরমদন, প্রধান আমাত্য মোহনলাল কাশ্মীরি ও নবে সিং হাজারী।









































