reporterঅনলাইন ডেস্ক
  ২০ জুলাই, ২০২১

হাজীগঞ্জে পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি শূন্যের কোটায়!

কোরবানির পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি শূন্যের কোটায়। ন্যূনতম মাস্ক পর্যন্ত পড়ছে না বেশির ভাগ ক্রেতা-বিক্রেতারা। এক কথায় মানুষে আর পশুতে একাকার কোরবানি পশুর হাট বাজারগুলো। সোমবার এমন চিত্রই দেখা গেছে  চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বেশ কয়েকটি কোরবানির পশুর হাট-বাজারে।

আজ বাদে কাল মানে রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। ত্যাগের মহিমায় এই ঈদ উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য করোনাভাইরাস থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে এই অতিমারীর মধ্যে যেটুকু বাঁচিয়ে চলা যায়। কিন্তু এসব কিছুই তুচ্ছ ভাবছে অধিকাংশরা। যার প্রমাণ মিলে হাট হাজীগঞ্জের বাজারগুলোতে। চলিত বছর উপজেলার ২১টি স্থানে  হাট বসে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা যায় হাট বাজারগুলোতে মানুষের প্রচণ্ড ভিড়। শারীরিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই। ৮০ ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। হাতে গোনা দু-একজনের মাস্ক থাকলেও কথা বলার সুবিধার্থে মুখ থেকে তা থুতনিতে নামিয়ে রাখে। এছাড়াও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার কোথাও দেখা যায়নি। দেখা যায়নি হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সচেতনতার কথা মাইকে ঘোষণা দিয়েই দায় সারছেন ইজারাদার কর্তৃপক্ষ।

সরজমিনে হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজার সাবেক মেঘনা বাসস্ট্যান্ডে সোমবার দুপুরের পর গিয়ে দেখা যায় পুরো হাটের লোকজনের মধ্যে গা ঘেঁষেই কোরবানির পশু কেনার প্রতিযোগিতা। ক্রেতা ও বিক্রেতা সবারই একই অবস্থা ছিল। করোনা নামে যে অদেখা মরণব্যাধি একটা রয়েছে তা কেউ মনেই রাখেনি।

পাশের সুদিয়া থেকে আসা জলিল মিয়া জানান, মাস্ক পড়লে অন্যরা কথা বুঝে না তাই পকেটে রেখেছি। এ সময় পাশের কয়েকজন তড়িঘড়ি করে মাস্ক পড়তে দেখা গেছে।

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
হাজীগঞ্জ,পশুর হাট
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close