মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার
মতামত
জলবায়ু সংকটে শিক্ষা হোক প্রথম প্রতিরক্ষা

বাংলাদেশ এমন এক ভূখণ্ড যেখানে প্রকৃতি যেমন আশীর্বাদ, তেমনি অনেক সময় দুর্যোগের নির্মম পরীক্ষাও। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, অতিবৃষ্টি, খরা, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ দেশের অর্থনীতি, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক সংকটে ফেলছে। একসময় জলবায়ু পরিবর্তনকে কেবল পরিবেশগত সমস্যা হিসেবে দেখা হলেও এখন এটি উন্নয়ন, মানবসম্পদ, শিক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। এই বাস্তবতায় ‘ক্লাইমেট অভিযোজন’ বা জলবায়ু অভিযোজন শুধু একটি পরিবেশগত কৌশল নয়; এটি টিকে থাকার, উন্নয়নের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখার অপরিহার্য পথ।
জলবায়ু অভিযোজন বলতে জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান ও সম্ভাব্য প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য ব্যক্তি, সমাজ, প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের গৃহীত পরিকল্পিত পদক্ষেপকে বোঝায়। এর লক্ষ্য হলো জলবায়ুজনিত ক্ষতি ও ঝুঁঁকি কমানো, মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং পরিবর্তিত বাস্তবতায় টেকসই জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা। সহজ ভাষায় বলা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনকে সম্পূর্ণভাবে থামানো সম্ভব না হলেও এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য যে প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সেটিই ক্লাইমেট অভিযোজন।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় সহনশীল ভবন নির্মাণ, লবণাক্ততা সহনশীল ফসল চাষ, বন্যাপ্রবণ এলাকায় উঁচু প্ল্যাটফর্মে বিদ্যালয় নির্মাণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ কিংবা তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় নগর পরিকল্পনা- এসবই জলবায়ু অভিযোজনের অংশ। কিন্তু অভিযোজন কেবল অবকাঠামোগত বিষয় নয়; এটি জ্ঞান, সচেতনতা, দক্ষতা ও আচরণগত পরিবর্তনের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। আর এখানেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো বহু বছর ধরে বলে আসছে যে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শিক্ষা হলো সবচেয়ে শক্তিশালী সামাজিক হাতিয়ার। কারণ শিক্ষা মানুষকে শুধু তথ্য দেয় না; বরং সমস্যাকে বুঝতে, সমাধান খুঁজতে এবং দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
বাংলাদেশে প্রায় চার কোটির বেশি শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে যদি জলবায়ু সচেতনতা, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলা যায়, তবে তা জাতীয় অভিযোজন সক্ষমতাকে বহুগুণে বৃদ্ধি করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তাই শুধু পাঠদান কেন্দ্র নয়; বরং ভবিষ্যৎ জলবায়ু-সচেতন নাগরিক তৈরির কারখানা।
প্রথমত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মধ্যে জলবায়ু বিষয়ে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও সচেতনতা সৃষ্টি করে। অনেক সময় দেখা যায়, মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ও প্রভাব সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করে। কেউ মনে করে এটি শুধুই প্রাকৃতিক ঘটনা, কেউ আবার এটিকে দূরবর্তী কোনো সমস্যা হিসেবে দেখে। কিন্তু যখন বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ, প্রভাব এবং প্রতিকার সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া হয়, তখন শিক্ষার্থীরা বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন হয় এবং পরিবার ও সমাজকেও সচেতন করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্যোগ ঝুঁঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছর কোনো না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। দুর্যোগের সময় কী করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে, কীভাবে নিরাপদ থাকতে হবে- এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও মহড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা সম্ভব। অনেক দেশে স্কুলভিত্তিক দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচি এরই মধ্যে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
তৃতীয়ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন উদ্ভাবনের কেন্দ্র হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তি, কৃষি উদ্ভাবন, পানি ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করতে পারে। স্থানীয় সমস্যা অনুযায়ী স্থানীয় সমাধান উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে গবেষণা ও উদ্ভাবন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন সম্ভব নয়।
চতুর্থত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজনকে ত্বরান্বিত করতে পারে। অনেক সময় বড় বড় প্রকল্পের চেয়ে মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস পরিবর্তন বেশি কার্যকর হয়। যেমন পানি অপচয় রোধ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারা চর্চা। এসব অভ্যাস যদি বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই গড়ে ওঠে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।
পঞ্চমত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সামাজিক সমতা ও জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবার ওপর সমানভাবে পড়ে না। দরিদ্র, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী তুলনামূলক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিক্ষা যদি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহমর্মিতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং ন্যায়বিচারের ধারণা গড়ে তুলতে পারে, তবে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক হবে।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় জলবায়ু অভিযোজনের সঙ্গে শিক্ষার সম্পর্ক আরো গভীর। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, উত্তরাঞ্চলে খরা, হাওর এলাকায় আকস্মিক বন্যা এবং নদীভাঙনপ্রবণ অঞ্চলে শিক্ষা কার্যক্রম প্রায়ই ব্যাহত হয়। অনেক বিদ্যালয় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ে এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো, বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা এবং জরুরি প্রস্তুতি পরিকল্পনার আওতায় আনতে হবে।
একটি জলবায়ু-সহনশীল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য কী হতে পারে? প্রথমত, নিরাপদ ও টেকসই অবকাঠামো। দ্বিতীয়ত, দুর্যোগকালীন শিক্ষা অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা। তৃতীয়ত, পাঠ্যক্রমে জলবায়ু শিক্ষা অন্তর্ভুক্তি। চতুর্থত, সবুজ ক্যাম্পাস গঠন। সেজন্য সবুজ দক্ষতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা থাকা দরকার। সবুজ দক্ষতা হলো এমন জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও আচরণ যা মানুষকে পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
সহজ ভাষায়, পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন ও কর্মক্ষেত্রে টেকসই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য যে দক্ষতাগুলো প্রয়োজন, সেগুলোই সবুজ দক্ষতা।
সবুজ দক্ষতা কেবল একটি নতুন শিক্ষাধারা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের টিকে থাকার দক্ষতা। বর্তমান শতাব্দীতে যেমন ডিজিটাল দক্ষতা অপরিহার্য, তেমনি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সবুজ দক্ষতাও অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তাই স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সবুজ দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং পরিবেশ-সচেতন ও টেকসই উন্নয়নের নেতৃত্বদানকারী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
পঞ্চমত, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা। অর্থাৎ বিদ্যালয় শুধু ভবন নয়; এটি হবে স্থানীয় অভিযোজন কার্যক্রমের একটি সক্রিয় কেন্দ্র।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে সফল হয়েছে। জাপানে ভূমিকম্প ও সুনামি প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত মহড়া পরিচালিত হয়। ফিলিপাইনে দুর্যোগ ঝুঁঁকি ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নেদারল্যান্ডস জলবায়ু অভিযোজন বিষয়ে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শিক্ষিত করছে। এসব অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে যে, অভিযোজন কেবল সরকারের দায়িত্ব নয়; এটি শিক্ষাব্যবস্থারও মৌলিক দায়িত্ব।
বাংলাদেশেও ইতিবাচক কিছু উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রমে পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক উপাদান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা স্কুলভিত্তিক দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচি পরিচালনা করছে। তবে এসব উদ্যোগ এখনো বিচ্ছিন্ন এবং সীমিত পরিসরে রয়েছে। প্রয়োজন একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশল, যেখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করবে।
বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর। একজন শিক্ষক যদি জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি যথাযথভাবে না বোঝেন, তবে তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যেও কার্যকরভাবে বিষয়টি পৌঁছে দিতে পারবেন না। তাই প্রাক-সেবা ও কর্মরত শিক্ষক প্রশিক্ষণে জলবায়ু শিক্ষা, দুর্যোগ ঝুঁঁকি ব্যবস্থাপনা এবং অভিযোজন কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
এখানে প্রযুক্তির ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন শিক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট, ভার্চুয়াল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এবং মোবাইলভিত্তিক শিক্ষাসেবা দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের দেখিয়েছে যে বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা কতটা প্রয়োজনীয়। জলবায়ু দুর্যোগের ক্ষেত্রেও একই শিক্ষা প্রযোজ্য।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, জলবায়ু অভিযোজনকে কেবল একটি প্রকল্প বা দাতানির্ভর কর্মসূচি হিসেবে দেখা যাবে না। এটি জাতীয় উন্নয়নের মূলধারার অংশ হতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা জ্ঞান উৎপাদন, সচেতনতা সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক নেতৃত্ব প্রদানের মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
আজকের শিক্ষার্থীই আগামী দিনের কৃষিবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, প্রশাসক, শিক্ষক, উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারক। তারা যদি জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন ও প্রস্তুত না হয়, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আরো বড় ঝুঁঁকির মুখে পড়বে। কিন্তু যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিকভাবে তাদের প্রস্তুত করতে পারে, তবে জলবায়ু সংকটের মধ্যেও একটি টেকসই, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের যুগে শিক্ষা আর কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করার মাধ্যম নয়; এটি টিকে থাকার শিক্ষা, অভিযোজনের শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের শিক্ষা। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জলবায়ু অভিযোজনের অগ্রভাগে নিয়ে আসা এখন আর বিকল্প নয়, বরং সময়ের অনিবার্য দাবি। যে জাতি তার শিক্ষার্থীদের জলবায়ু বাস্তবতার জন্য প্রস্তুত করতে পারবে, সেই জাতিই আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবচেয়ে সক্ষম হয়ে উঠবে। বাংলাদেশের জন্য এটাই হওয়া উচিত আগামী দিনের শিক্ষা দর্শনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, প্রশিক্ষক ও গবেষক
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট (মালয়েশিয়া)
"





































