বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

  ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬

শীতে ব্যাহত কাজকর্ম, সংকটে নিম্নবিত্তরা

টানা শীতের দাপটে, উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোরের শার্শায়। ভোর থেকে বিকাল পর্যন্ত জনজীবন কার্যত স্থবির। শীতের দাপটে বেনাপোল বন্দরের শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবার জবুথবু অবস্থা।

যশোরে টানা দশদিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। একদিকে শীতের দাপট, অন্যদিকে কুয়াশা আর হিমেল হাওয়া দুর্ভোগের মাত্রাও বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ। গতকাল সোমবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত দশদিন ধরেই যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।

গতকাল সোমবার সকালে একটু সূর্যের দেখা মেলার সঙ্গে সঙ্গে আবারো কুয়াশায় ঢেকে পড়েছে। উত্তরের বাতাস যুক্ত হওয়ায় হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।

যশোর বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানায়, রবিবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আর শুক্রবার ভোরে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কুয়াশায় সূর্যের দেখা না মেলায় এবং উত্তরের বাতাসের কারণে শীত অনুভূত হচ্ছে তীব্র। সোমবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল প্রকৃতি। ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যাহত হয়। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জবুথবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। এখন সকাল-বিকাল শীতের দাপট অনুভূত হচ্ছে। আর সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হচ্ছে অসহ্য শীতের কাঁপুনি। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরো বাড়ে শীতের তীব্রতা।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়