গাজী শাহাদত হোসেন ফিরোজী, সিরাজগঞ্জ

  ২৩ ঘণ্টা আগে

রায়গঞ্জে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজের সমারোহ

আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেও বৃষ্টি না হওয়ায় সিরাজগঞ্জে রোপা আমন চাষাবাদে বিরূপ প্রভাব পড়েছিল। পানির অভাবে রোপা আমন চাষাবাদের ভরা মৌসুমেও ধানের চারা রোপণ করতেও হিমশিম খেতে হয়েছিল কৃষকদের। এদিকে প্রখর রোদে তাদের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। তবে কেউ কেউ বিকল্প ব্যবস্থায় বাড়তি খরচ করে শ্যালো যন্ত্রের মাধ্যমে সেচ দিয়ে আমনের চারা রোপণ করছেন। খাল-বিল শুকিয়ে ও আমন ধান চাষে বিঘ্নতার সৃষ্টি হয়েছিল। শ্রাবণ মাস থেকে আমন ধানের চারা রোপণের ভরা মৌসুম হলেও বৃষ্টি না হওয়ার কারণে কৃষকদের কপালে পড়েছিল ভাঁজ। কিন্তু ভাদ্রের মাঝামাঝিতে ভারি বর্ষণে রায়গঞ্জের নিম্নাঞ্চল প্রাবিত হয়। খাল-বিলে প্রাণ ফিরে আসে। ফলে আমন ধান চাষের সব বিঘ্নতার দূর হয়ে এখন বিস্তীর্ণ মাঠ হয়েছে সবুজের সমারোহ।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রায়গঞ্জে ১৯ হাজার ১৬৫ হেক্টোর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। সরকার পর্যাপ্ত কৃষি প্রণোদনা হিসাবে বীজ ও ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি সার বিনামূল্যে কৃষকের মাঝে বিতরণ করায় কৃষিতে এই ব্যাপক সাফল্য এসেছে বলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, ১ম পর্যায় ২ হাজার কৃষকের মাঝে সার ও বীজ প্রনোদনা, ২য় পর্যায়ে ৪৫০ জনকে বীজ প্রদান, ৩য় পর্যায়ে ৪০০ জন কৃষকের মাঝে সার ও বীজ প্রণোদনা বিতরণ করা হয়। উপসহকারী কৃষিকর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকের পরামর্শ প্রদান করে। ফলে কৃষকের সাফল্য আসে বলে এই উপজেলা প্রান্তিক কৃষক ফিরোজ সেখ, আলিম উদ্দিন জানান।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাবলু কুমার সুত্রধর বলেন, এই কাঙ্খিত বৃষ্টি ধান সহ অন্যান্য ফসলের উপকার হয়েছে। জেলায় এ বছর ৭২,২৪০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ বছর রোপা আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close