সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

  ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

বিদ্যুৎ-বিভ্রাটে ৪০ হাজার গ্রাহক

নীলফামারী সৈয়দপুরে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কথা বলে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। ভাদ্রের ভ্যাবসা গরমে ভোগাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। দিনে তিন থেকে চার ঘণ্টা আর রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার ফলে বেশি কষ্টে ভোগাচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধদের। নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজের মালামালসহ ইলেকট্র্রিক সামগ্রী।

সৈয়দপুর শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক শড়কের আলপনা টেলিকমের স্বত্বাধিকারী আমিনুল ইসলাম সোহাগ জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরম। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে দুই ঘণ্টা আসছে না। বিদ্যুৎ অফিসে ফোন দিলে কেউই ফোন ধরতে চান না। আবার কেউ যদি ফোন ধরেন তখন তাদের ব্যবহার দেখলে মনে হয় বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি। সারা দিন পরিশ্রম করে বাড়িতে গেলে পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে ঘুমাতেও পারছি না। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ওয়াইফাই সংযোগ না থাকায় ঠিকমতো ব্যবসা করতে পারছি না।

শহরের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যবসা করতে ভিষণ সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে দোকান থাকে অন্ধকার। প্রচন্ড গরম আর অন্ধকারে কাস্টমার মালামাল ক্রয় না করে চলে যায়। তারা বলেন, আগামী নভেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শিক্ষার্থীরা ভালোভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না।

বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা লোডশেডিংয়ের কথা বলে বড় বড় কলকারখানা ও অটোরিকশার চার্জের গ্যারেজে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ভাদ্রের ভ্যাবসা গরমে অতিষ্ঠ হওয়া প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহকের কথা চিন্তা না করে ওইসব কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থ হাছিলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৈয়দপুরে রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার গ্রাহক। এসব গ্রাহকের সার্বিক বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে প্রয়োজন প্রায় ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সেখানে পাওয়া যাচ্ছে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ কম পাওয়ার কারণেই মাঝে মধ্যে লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

 

 

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close