নিজস্ব প্রতিবেদক

  ১৯ জানুয়ারি, ২০২১

এক্স-রেতে যাত্রীর পেটে মিলল সোনা

ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একজন যাত্রীর পেট থেকে আট সোনার বার উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিম। গত রবিবার রাত ১১টার দিকে সোনাগুলো উদ্ধার করা হয়।

কাস্টমস জানায়, প্রথমে ওই যাত্রীকে সন্দেহ করা হলেও তিনি সোনা থাকার কথা অস্বীকার করেন। তবে মেটাল ডিটেক্টরে তার শরীরে ‘ধাতব’ থাকার প্রমাণ মেলে। এরপর যাত্রীর পেটে এক্স-রে করে তার পেটে আট সোনার বার থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয় কাস্টমস।

------
গোলাম মোহাম্মদ নামে সোনা বহন করা ওই যাত্রী রাত ১১টায় দুবাই থেকে অ্যামিরেটস এয়ারওয়েজের ইকে-৫৮৪ ফ্লাইটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। ইমিগ্রেশন শেষ করে লাগেজ নেওয়ার পর গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় শুরু হয় সোনা থাকা-না থাকার বিষয়ে বিতর্ক।

ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিমের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. নাঈম ইসলাম জানান, ওই যাত্রী প্লেনের ১৮-ই নম্বর সিটে ছিলেন। তার বিষয়ে কাস্টমসে আগে থেকেই তথ্য ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে যাত্রী ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পর তাকে আটকে ফেলেন কাস্টমসের সদস্যরা। প্রথমেই তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তার কাছে কোনো সোনা বা সোনার বার আছে কি না? তবে তিনি অস্বীকার করে বলেন, ‘কিছুই নেই।’

নাঈম বলেন, পরে যাত্রীকে আর্চওয়ে গেটে নেওয়া হলে ধাতব জাতীয় পদার্থ থাকার অ্যালার্ম বেজে ওঠে। পরে যাত্রীকে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে তল্লাশি করে সবশেষ তার পেটের এক্স-রে করা হয়। এক্স-রে রিপোর্টে আসামির রেক্টামে সোনার বার থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর ওই যাত্রী স্বেচ্ছায় টয়লেটে গিয়ে তার রেক্টাম থেকে আটটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার ব্যাগ থেকে আরো দুটি বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সোনার ওজন ১ কেজি ১৬০ গ্রাম। পাশাপাশি তার কাছ থেকে আরো ছয়টি সোনার চুড়ি, এক জোড়া সোনার কানের দুল (দুই গ্রাম), পাঁচটি নতুন মোবাইল হ্যান্ডসেট জব্দ করা হয়। কাস্টমস জানায়, জব্দ সোনা ও পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের দ্য কাস্টমস অ্যাক্টে বিমানবন্দর থানায় মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

 

 

"

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
close