নিজস্ব প্রতিবেদক
বন্ড সুবিধা-করছাড় বৃদ্ধি
দেশীয় শিল্পে কর্মচাঞ্চল্য ফেরার আশা

বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার প্রথমবারের মতো জাতীয় বাজেট দিয়েছে। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প উৎপাদন পুনরুদ্ধার এবং রপ্তানি সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক প্রণোদনা ও কর-রেয়াত সুবিধা ঘোষণা করেছে সরকার। বন্ড সুবিধার মেয়াদ বৃদ্ধি, বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড়, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রণোদনা এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় আমদানি শুল্ক বৃদ্ধির মতো উদ্যোগকে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের আশা, এসব পদক্ষেপ নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনবে।
গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর দেওয়া এ বাজেটকে নির্দিষ্ট কয়েকটি খাতের উদ্যোক্তা ছাড়া বেশিরভাগই অবশ্য ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব মনে করছেন। তাদের মতে, বাজেটে সরকার যে প্রণোদনা ও নীতি-সহায়তা ঘোষণা করেছে সেগুলোর ইতিবাচক প্রভাব বেসরকারি খাতে পড়বে। উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশি বিভিন্ন খাতে করছাড়, কিছু ক্ষেত্রে কমানো ও কিছু ক্ষেত্রে দেশে তৈরি পণ্যের বিপরীতে একই বিদেশি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে কর বাড়ানোসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এসেছে নতুন অর্থবছরের বাজেটে। একইসঙ্গে তৈরি পোশাকশিল্পের মতো শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পের বন্ড সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যেসব বাধার মুখোমুখি হতো, তাও কমানোর প্রতিশ্রুতি মিলেছে বাজেটে। এসব উদ্যোগের ফলে শিল্প খাতে ভবিষ্যৎ উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি বাড়বে।
বন্ডের মেয়াদ তিন বছর করার প্রস্তাব : তৈরি পোশাকের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় অন্যান্য রপ্তানি খাত কাঁচামাল আমদানিতে বর্ধিত সময় ধরে বন্ড সুবিধা পাবে। এজন্য বিদ্যমান বন্ড-সংক্রান্ত বিধিবিধান সংশোধন করা হচ্ছে।
শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং টাওয়েল, লিলেন ও হোমটেক্সটাইল বা ঘরের অন্দরসজ্জা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জেনারেল বন্ডের মেয়াদ এক বছরের জায়গায় তিন বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। পাশাপাশি ১০টি খাত বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ পাবে।
এ নিয়ে কথা হলে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও সালমা ট্যানারির স্বত্বাধিকারী মো. সাখাওয়াত উল্লাহ গণমাধ্যমে বলেন, ‘বন্ডের মেয়াদ এক বছর থাকলে মেয়াদ শেষে প্রায় দুই-তিন মাস আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকতো, কারণ নবায়ন করতে ওই সময় চলে যেত। তখন বন্দরে আটকা পণ্যের জন্য মাশুল গুনতে হতো। এখন মেয়াদ তিন বছর বাড়ানো খুব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে রপ্তানি খাতের জন্য। এটি ভালো সিদ্ধান্ত।
একইসঙ্গে প্রস্তাবিত বাজেটে বন্ডেড ওয়ারহাউজে এককালীন কাঁচামাল মজুদের সীমা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। পাশাপাশি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পণ্য জাহাজীকরণের মেয়াদোত্তীর্ণের অন্যূনতম ৪৮ ঘণ্টা আগে ইউটিলাইজেশন পারমিশন বা ইউপি নেওয়ার পরিবর্তে ২৪ ঘণ্টার আগেই যেন তা পাওয়া যায় সেই প্রস্তাবও করেছেন তিনি। শুধু ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানি করে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজন করার আইনি বাধ্যবাধকতাও বিলোপ করার প্রস্তাব বাজেটে করেন অর্থমন্ত্রী। এসব বিষয়ে সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, এ বাজেটে রপ্তানি খাত নিয়ে ইতিবাচক বেশকিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। দীর্ঘদিনের বেশকিছু সমস্যা সমাধানে এসব সুবিধা কাজে আসবে। বাজেটে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে অন্যান্য দেশের মতো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের সুবিধার্থে কাস্টমস আইনে একটি নতুন অধ্যায়সহ কিছু বিধান সংযোজনেরও প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের ভেতরে রপ্তানির উদ্দেশ্যে পণ্য শুল্ক ও কর ব্যতিরেকে আমদানি করে তা সংরক্ষণ, মোড়কজাত, মান অনুযায়ী শ্রেণিকরণ, উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বন্ডের মেয়াদ এক বছর থাকলে মেয়াদ শেষে প্রায় দুই-তিন মাস আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকতো। কারণ নবায়ন করতে ওই সময় চলে যেত। তখন বন্দরে আটকা পণ্যের জন্য মাশুল গুনতে হতো। এখন মেয়াদ তিন বছর বাড়ানো খুব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে রপ্তানি খাতের জন্য।
দীর্ঘমেয়াদে করছাড়ের ঘোষণা : বন্ড সুবিধার ‘অপব্যবহার’ রোধের জন্য সিনথেটিক ওভেন ফেব্রিক্স আমদানিতে বিদ্যমান ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। সেইসঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশে দেওয়া হয়েছে রেয়াত সুবিধা। নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ উৎস সৌরবিদ্যুৎ খাতের প্রসারে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য শুল্ক, রেগুলেটরি বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতের ধারাবাহিক ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের স্বার্থে এ সুবিধা ২০৩১ সাল পর্যন্ত দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে দৈনন্দিন কাজ, বিনোদন, যোগাযোগ বা অফিসের কাজের জন্য ব্যবহৃত যান্ত্রিক সরঞ্জাম বা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে শুল্ক ও কর রেয়াত সুবিধা দীর্ঘমেয়াদে বহাল রাখার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। এজন্য আমদানিনির্ভর প্রযুক্তি পণ্য যেমন- মোবাইল ফোন, রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ওয়াশিং মেশিন, এটিএম ও সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এ সুবিধার মাধ্যমে এসব পণ্যের উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেশীয় বাজারে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে পণ্য সরবরাহের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন দেশি উদ্যোক্তারা। একইসঙ্গে এখাতে রপ্তানি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পণ্য উৎপাদনের কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ও কর অব্যাহতি সুবিধা ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
কম্পিউটার ও ডিজিটাল পণ্য উৎপাদন শিল্পেও রেয়াতি সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ ডিজাইন, টেস্টিং ও প্যাকেজিং খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এ শিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক, সমুদয় নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর ও আগাম কর ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআইএ) সভাপতি এম এ জব্বার জানান, এই কর অব্যাহতির ফলে স্থানীয় সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে। এ প্রণোদনা ও নীতিগত সহায়তার ফলে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর শিল্প আইসি (ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট) ডিজাইনে সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রোটোটাইপিং ও টেস্টিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ, প্যাকেজিং ও ফেব্রিকেশন-সম্পর্কিত সক্ষমতা উন্নয়ন এবং একটি পূর্ণাঙ্গ সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু চেইন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে। বাজেটে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ এ খাতে নতুন বিনিয়োগকে যেমন উৎসাহিত করবে, তেমনি বৈশ্বিক অংশীদারত্বের সুযোগও সৃষ্টি করবে। তৈরি হবে প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট তরুণদের জন্য উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান।
১৪ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে সরকার : এছাড়া কল্যাণমুখী নাগরিক সুবিধাগুলো জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করছে। এজন্য বিশাল চাহিদাকে সামনে রেখে সব ধরনের স্মার্ট কার্ড ও ব্যাংকিং ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড উৎপাদনে অত্যাবশ্যক ১০টি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে বাজেটে। সেইসঙ্গে জাহাজ ও ড্রেজার শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে রেয়াতি সুবিধা অব্যাহত রাখার জন্য জাহাজ ও ড্রেজার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি শুল্ক সুবিধা ২০৩০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাবও রয়েছে। এদিকে শিশুখাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, মসলার ওপর ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার ও খেজুর আমদানিতেও ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার দেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশিল্পের জন্য সহায়ক হবে বলে ধারণা করছেন উদ্যোক্তারা। আগে যেখানে ফিনিশড কীটনাশক পণ্যেও ভ্যাট ছিল না, সেখানে দেশি উৎপাদকদের কাঁচামালে ভ্যাট ছিল। যে কারণে অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও দেশি অনেক প্রতিষ্ঠান কীটনাশক উৎপাদনে যেতে পারেনি।
কীটনাশক ও সার উৎপাদনে সুবিধা : কীটনাশক উৎপাদনের ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এখন স্থানীয়ভাবে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে এ রেয়াত সুবিধার কারণে দেশে উৎপাদন বাড়বে। এর মাধ্যমে আমদানিনির্ভরতা কমবে। সেই সঙ্গে কর্মসংস্থান হবে ও কৃষকও কম দামে কীটনাশক পাবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ এগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, ‘আগে যেখানে ফিনিশড কীটনাশক পণ্যেও ভ্যাট ছিল না, সেখানে দেশি উৎপাদকদের কাঁচামালে ভ্যাট ছিল। যে কারণে অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও দেশি অনেক প্রতিষ্ঠান কীটনাশক উৎপাদনে যেতে পারেনি।’ কীটনাশকের মতো সার উৎপাদনেও সুবিধা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে জিংক সালফেট সার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এর মূল কাঁচামাল জিংক অ্যাশ আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফ করার প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। পাশাপাশি পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের পণ্যের পরিবর্তে তার জেনেরিক পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শূন্য শতাংশ হারে রেয়াত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
আমদানিতে কর বসিয়ে দেশীয় পণ্যের সুরক্ষা : কাজুবাদাম চাষ ও উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে পণ্যটি আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি করে সংশ্লিষ্ট শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। অপ্রক্রিয়াজাত এবং প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের আমদানি শুল্ক যথাক্রমে ১ শতাংশ ও ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে দেশে উৎপাদকদের অপ্রক্রিয়াজাত কাজুবাদাম আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। দেশীয় মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উপযুক্ত বাজার সুরক্ষার জন্য আমদানি করা পাঙ্গাস মাছের ফিলেটের ওপর ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কারোপের প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। এ বিষয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে এ বাজেট ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। দেশি পণ্য সুরক্ষার উদ্যোগগুলো বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রসারে সহায়ক হবে। দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
"







































