আবদুল বাছিত বাচ্চু, মৌলভীবাজার

  ৮ ঘণ্টা আগে

মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাংলাদেশই আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা

* জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেব না * চা-শ্রমিকের সন্তানদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ঘোষণা * মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে উপকারভোগী পাবে সহায়তা * প্রতিবন্ধী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য অনুদান বিতরণ

দেশের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের সম্মিলিত শ্রম ও মেধাই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি বলেন, বাংলাদেশই আমাদের প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই আমাদের শেষ ঠিকানা। তাই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। চা-শ্রমিক পরিবারগুলোর জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনকালে তিনি জানান, জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণেই ব্যয় করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

এ সময় বিএনপিকে গণমানুষের দল উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে বলেন, আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে দেশে জনগণ যখন ফুঁসে উঠেছিল গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য, তখন অনেক বড় রাজনৈতিক নেতারা এদেশ ছেড়ে বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া দেশের জনগণকে রেখে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, বাংলাদেশই হচ্ছে আমার প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের আমার শেষ ঠিকানা। গতকাল বুধবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার জন্য আনন্দের দিন। নির্বাচনী জনসভা শুরু করার সময় আমি বলেছিলাম, চা-শ্রমিক মায়েদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, আমি সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের কল্যাণে প্রণীত বাজেটকে যারা গণবিরোধী বা ‘চানাচুরের বাজেট’ বলে আখ্যা দেয়, তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের জন্য রাজনীতি না করলে তাদের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়। সরকারের কল্যাণমূলক উদ্যোগে বাধা দিতে চায় এমন শক্তির বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট ও মৌলভীবাজারজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিমানবন্দর সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আগে থেকেই অবস্থান নেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে সড়কের দুই পাশে ভিড় করেন হাজারো মানুষ।

এর আগে দুপুর ১টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে পৌঁছালে হাজারো মানুষ তাকে স্বাগত জানায়। বিশেষ করে নারী চা-শ্রমিকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ফুলের মালা, ফুলের পাপড়ি ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো অনুষ্ঠানস্থল। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে শুভেচ্ছা ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে পৌঁছানোর পর পবিত্র কোরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত এবং পরে বিএনপির দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

তৃতীয় ধাপে শ্রীমঙ্গল উপজেলার নির্জাপুর ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৫৫টি পরিবার এবং রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৩১০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারে বাটন চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। একইসঙ্গে চা শ্রমিক আবাসন সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের ২ লাখ টাকা করে অনুদান, চা-শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেকও প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীরা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে উপকারভোগীদের নির্ধারিত হিসাবে ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়। কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলো প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ১৫৫ নারীর হাতে প্রতীকীভাবে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার জেলা কমিটির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম নয়ন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব কামাল উদ্দিন বিশ্বাস এবং ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীদের মধ্যে শিউলী রানি দাস ও ওয়াজেদা বেগম বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের অর্থ কোনোভাবেই বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না, বরং তা জনগণের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। অনেকেই নানা কথা ও বিভ্রান্ত ছড়াতে চায়। এরা বলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? আপনাদের সবাইকে সাক্ষী রেখে তাদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই, বিগত এক যুগ ধরে জনগণের অর্থ এদেশ থেকে পাচার হয়ে গিয়েছিল। আমরা জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না। তিনি বলেন, যারা এদেশ থেকে টাকা পাচার করেছে, যারা এদেশ থেকে জনগণের অর্থ বিদেশে পাঠাতে চায়, আমরা আজ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করব। আমরা যদি সকলে চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে এদেশের অর্থ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করব এবং সেই অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করব। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সবাই আছেন কি না, জানতে চাইলে উপস্থিত হাজার হাজার চা-শ্রমিকসহ শ্রীমঙ্গলের নারী-পুরষরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হলাম খালেদা জিয়ার সৈনিক। তাই এদেশই আমাদের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা। আমাদের একটাই কাজ বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। কাজেই আসুন, এদেশ আমাদেরই গড়তে হবে। এদেশে আমাদের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তরিত করতে হবে, তাহলেই আমরা এ বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যের শুরুতে উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে বলেন, আমার জন্য আজকে একটা খুব আনন্দের দিন। কেন জানেন? আজকে থেকে কয়েক মাস আগে যখন নির্বাচনের প্রথম প্রচার অভিযান শুরু হয়, আমি সিলেটের পবিত্র মাটি থেকে সেই প্রচার অভিযান কাজ শুরু করেছিলাম এবং সেদিনই সিলেটের জনসভা মঞ্চ থেকে বলেছিলাম, বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়, তাহলে আমরা আমাদের চা-বাগানে শ্রমিক হিসেবে যেসব মা কাজ করে তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেব। আজকে আল্লাহর কাছে আমি হাজারো শুকরিয়া জানাই, লাখো শুকরিয়া জানাই যে, আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দিয়েছেন। আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমার সরকার আজকে চা-বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে যারা নারী শ্রমিক আছেন, তাদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। তিনি বলেন, সেজন্যই নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য আমরা এ ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম। বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটির মতো পরিবার রয়েছে। আমরা বলেছিলাম, আমরা যদি সরকার গঠন করতে সক্ষম হই, তাহলে পর্যায়ক্রমিকভাবে সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেব; বিশেষ করে নারী প্রধানদের কাছে। আমরা নির্বাচন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক মাসেরও কম সময়ের ভেতরে আমাদের এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পাশাপাশি চা-বাগানের নারী শ্রমিকদের ঘর প্রদানের জন্য ২ লাখ টাকা করে দিয়েছি। এখানে স্টেজের মধ্যে তিনজনের হাতে সেই ২ লাখ টাকার চেক তুলে দিয়েছি আর প্রশাসনের মাধ্যমে বাকিদের কাছে ইনশাআল্লাহ আমরা সেই টাকা পৌঁছে দেব।

এছাড়া বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকজনিত প্যারালাইসিস ও জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সহায়তা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়ন অনুদান, শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক সহায়তা এবং চা-শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়। ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী রেসনা বেগম, নাসিমা বেগম ও লাভলী আক্তার বলেন, এ সহায়তা তাদের পরিবারের ব্যয় নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা এ উদ্যোগের জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রথম ধাপ উদ্বোধনের পর দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম রাজশাহীর পবা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে মৌলভীবাজার থেকে শুরু হলো। বিগত আওয়ামী লীগ আমলের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জনগণের অর্থ জনগণকে না দিয়ে একটি দল বিদেশে পাচার করে দিয়েছিল। প্রিয় ভাই-বোনেরা, যারা বলে কোত্থেকে আসবে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা, কোত্থেকে আসবে কৃষক কার্ডের টাকা, তাদের উদ্দেশে বলতে চাই- এ জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না আমরা!

তারেক রহমান বলেন, তার সরকার মনে করে, পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সাহায্য করা না গেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা এবং সে কারণেই আজকে শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, এই যে চা-বাগানের শ্রমিক নারী শ্রমিক যারা, তাদের ৫০ জন শ্রমিককে ঘর বানানোর জন্য ২ লাখ টাকা আমরা দিয়েছি। চা-শ্রমিকরা অত্যন্ত কষ্টে থাকে আমরা জানি, ধীরে ধীরে তাদের একটু ভালো অবস্থায় যাতে আনা যায়, সেজন্য আমরা ২ লাখ টাকা করে দিয়েছি। এর বাইরেও চা-শ্রমিকদের সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য বিশেষ বৃত্তি দেওয়ার কথাও সরকারপ্রধান বলেন। অনুষ্ঠানে কয়েকজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়া দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশের কৃষকের পাশে দাঁড়াতে বাজেট অর্থ বরাদ্দ রাখার কথা, আগামী এক বছরে দেশের ৪০ লাখ কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও প্রধানমন্ত্রী বলেন।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়