বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

  ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

পঞ্চগড়ে প্রথম নারী প্রার্থী জাগপার তাসমিয়া প্রধান

স্বাধীনতার পর এবারই প্রথম পঞ্চগড়-২ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক দল (জাগপা) এর সভাপতি হুক্কা মার্কার প্রার্থী ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। তিনি জাগপার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে। তারা দাদা গমির উদ্দিন প্রধান ছিলেন পাকিস্থানের প্রাদেশিক পরিষদের স্পিকার। শফিউল আলম প্রধানের মৃত্যুর পর দলের দায়িত্ব গ্রহন করেছিলেন তার স্ত্রী অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান। গত ২ মাস আগে অধ্যাপিকা রেহানা প্রধান মারা গেলে দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের কন্যা ব্যারিষ্টার তাসমিয়া প্রধান।

২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক দল জাগপা। নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পূর্বে ২০ দলীয় জোটের মনোনয়ন দৌড়ে তাসমিয়া প্রধান এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত এই আসনে বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী দেওয়া হয়। জোটের মনোনয়ন না পাওয়ায় এবং দলের অস্থিত্ব রক্ষায় এ আসন থেকে জাগপার প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন ব্যারিষ্টার তাসমিয়া প্রধান। অপর দিকে পঞ্চগড়-১ আসনে জাগপার প্রাথী হিসেবে হুক্কা মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন শফিউল আলমের পুত্র আল রাশেদ প্রধান।

পঞ্চগড় জেলার দুটি আসনে ৮টি দলের মোট ১৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। তার মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী তাসমিয়া প্রধান। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সঙ্গে সমানভাবে পাল্লা দিয়ে হুক্কা প্রতিক নিয়ে এগিয়ে চলেছেন এই নারী। বর্তমানে পঞ্চগড়-২ আসনের বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, মিছিল, মিটিং, পথসভা ও উঠোন বৈঠক করে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন তিনি। একমাত্র নারী প্রার্থী হওয়ায় ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

বোদায় উপজেলার ভোটার হালিমা খাতুন জানান, আমাদের আসনে এই প্রথমবার একজন নারী ভোটে দাড়িয়েছে। ভোটের মাঠে নারীদের আসার এই সাহস আমাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে। এ ছাড়া তিনি সব দিক দিয়েই একজন যোগ্য প্রার্থী। আমরা নারীরা চাই একজন নারী হিসেবে ব্যারিষ্টার তাসমিয়া প্রধানই নির্বাচিত হোক।

প্রার্থী ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান জানান, পঞ্চগড়ের ইতিহাসে আমারা দাদা গমির উদ্দীন ও আমার বাবা শফিউল আলমের অনেক অবদান রয়েছে এবং আমিও যখনই পেয়েছি মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাড়াতে ছুটে এসেছি। তাই আশা করি এ অঞ্চলের মানুষ আমাকে ভোটে নির্বাচিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। যেহেতু আমিই প্রথম নারী প্রার্থী তাই তাই ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। যেহেতু নারীরা অনেক এগিয়ে গেছে, বর্তমানে দেশ পরিচালনা করছে তাই আমি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন ও একালার ব্যাপক উন্নয়ন করত পারব।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়