হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২০, ০৮:৩২ | আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২০, ০৮:৪১

গাজীপুর প্রতিনিধি
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর ১৯৪৮–১৯ জুলাই ২০১২)

আজ ১৯ জুলাই কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, উপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী। প্রাণঘাতী করোনার কারণে এবার হুমায়ূনের মৃত্যুবার্ষিকীতে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে সংক্ষিপ্ত আকারে কোরআনখানি, পুষ্পস্তবক অর্পণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নুহাশ পল্লীর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম বুলবুল জানান, সকাল থেকে আশপাশের মসজিদের ছয় থেকে সাতজন মাওলানা নিয়ে কোরআন খতম দেওয়া হবে।

সকাল ১০টায় হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, দুই সন্তান নিষাদ ও নিনিত নুহাশ পল্লীতে আসার কথা রয়েছে। তারা স্যারের (হুমায়ূন আহমেদের) কবর জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়ায় অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, জনপ্রিয় এ লেখক ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে তার নিজ হাতে গড়া স্বপ্নের নুহাশ পল্লীতে সমাহিত করা হয়।

১৯৭২ সালে প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশের পরপরই খ্যাতি লাভ করেন তিনি। বাংলাদেশে পাঠকপ্রিয় এই লেখক দুই শতাধিক ফিকশন ও নন-ফিকশন বই লেখেন। হিমু, মিসির আলীর মতো চরিত্র দিয়ে লাখো-কোটি পাঠক-ভক্ত তৈরি করেছেন এই কথার জাদুকর। তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখকদের মধ্যে অন্যতম গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক তিনি।

সাহিত্যে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ হুমায়ূন আহমেদ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পদকে ভূষিত হয়েছেন। ৯০ দশকের শুরুতে চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে তার। নিজের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে হুমায়ূনের পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে—আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, চন্দ্রকথা, নয় নম্বর বিপদ সংকেত, ঘেটুপুত্র কমলা। আগুনের পরশমণি, দারুচিনি দ্বীপ ও ঘেটুপুত্র কমলা চলচ্চিত্রের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

পিডিএসও/হেলাল