রংপুর ব্যুরো
আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষাবাদ করলে ফলন বেশি হবে : ড. মো. আমিনুল ইসলাম

উত্তরবঙ্গের এর মাটি বুনোর হালকা পানির ধারণ ক্ষমতাও কম এবং পুষ্টির ধারণ ক্ষমতাও কম তাই এই এলাকার জমিগুলোতে সবসময় জৈব সার প্রয়োগ করার পরামর্শ দিলেন ব্রি গাজীপুর এর পরিচালক ডঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম।
মাটির উর্বরতা ভালো না হলে ফলন কখনো ভালো হয় না। এলাকার চাহিদা মোতাবেক বাণিজ্যিক ভাবে যেই ধান চাষাবাদ করলে লাভবান হওয়া যাবে সেই ধান চাষাবাদ করতে হবে। কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে চাষাবাদ করলে ফলন ভালো হবে।
এখন বিভিন্ন ধরনের জৈব সার পাওয়া যায়, যেগুলো কমার্শিয়ালি তৈরি করা হয়।
তিনি আরো বলেন, এতে করে খরচের সংখ্যাটা অনেক কমিয়ে আসবে। কীটনাশক যত কম ব্যবহার করবেন। নিয়ম নীতি মেনে ধান চাষাবাদ করলে ততোই ফলন বেশি পাবেন। এখন বিভিন্ন ধরনের জৈব সার পাওয়া যায়,যেগুলো কমার্শিয়ালি তৈরি করা হয়। আধুনিক পদ্ধতিতে ধানের চাষাবাদ করলে বিঘা পতি চার থেকে ৫ মন ধান বেশি হবে বলে জানালেন এই কর্মকর্তা। সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর আয়োজনে রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষাবাদের কলাকৌশল শীর্ষক প্রশিক্ষণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট রংপুর অঞ্চল কার্যালয়ের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার রকিবুল হাসান বলে, সঠিক উপয়ে ধান চাষ সময়মত সার প্রয়োগের বিষয় গুলো নিশ্চিত করলে ফসল উৎপাদন ভালো এবং ফলন ভালো হবে। ইতিমধ্যে রংপুরের কৃষিকে এগিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে রংপুর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, রংপুর অঞ্চল কৃষি নির্ভর। কৃষকরা যাতে সঠিক পরামর্শ পেয়ে কৃষিকাজে লাভবান হতে পারেন সেই দিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এ সময় তিনি ধান চাষাবাদে সঠিক নিয়ম কানুন তুলে ধরেন।
প্রশিক্ষণে সভাপত্বিত করেন, ব্রি রংপুরের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার ড.মোঃ রকিবুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, গ্লোবাল টেলিভিশন ও প্রতিদিনের সংবাদ রংপুর ব্যুরো প্রধান আব্দুর রহমান রাসেল প্রমূখ।
এছাড়াও রংপুর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে কর্মরত কর্মকর্তা-ও বিজ্ঞানীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণে অংশ নেয় রংপুর বিভাগের আর জেলার ৩০ জন কৃষক ও কৃষাণী বৃন্দ।









































