গাইবান্ধা প্রতিনিধি
জুলাই শহীদের কবর নির্মানের টাকা আত্নসাৎ
গাইবান্ধায় ৬ শহীদ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে গাইবান্ধার ৬ জন জুলাই শহীদের কবরের টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদ ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের পুনর্বাসনের সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করেছে ৬ শহীদ পরিবার।
গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সোমবার ৬ শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহিনা বেগম।
এসময় শহীদ শাকিলুরের স্ত্রী শারমিন আক্তার, শহীদ আরিফুলের স্ত্রী হালিজা বেগম, শহীদ সুজনের স্ত্রী লাইজু বেগম, শহীদ নাজমুলের মা গোলেভান, শহীদ জুয়েল রানার মা জমিলা বেগম ও শহীদ সজলের বাবা খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে শাহিনা বেগম বলেন, গাইবান্ধা জেলার ৬টি জুলাই শহীদের কবর পাকা করার কাজ দীর্ঘদিন আগে শুরু হলেও এখন পর্যন্ত কোনোটিই সম্পূর্ণ হয়নি। বারবার ঠিকাদার ছাত্রশক্তির আহবায়ক মেহেদী হাসানকে বলা হলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। এব্যাপারে জানতে জেলা পরিষদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, মেহেদী হাসান সব বিল তুলে নিয়ে গেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানালে তিনি আশ্বাস প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়াও গাইবান্ধায় জুলাই শহীদ এবং আহতদের পুর্নবাসন কমিটি হয়েছে ওই কমিটিতে কে কে আছে তাও তারা জানেন না। তাদের কে পাশ কাটিয়ে অভিযুক্তরা সব কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যা শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী।
লিখিত বক্তব্যে শাহিনা বেগম আরও বলেন, ২৪ এর জুলাই শহীদ ও আহতদের রক্তের সাথে বেমাইনী করে গাইবান্ধায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন এনসিপির নেতৃবৃন্দ। এজন্য তারা জাতীয় নাগরিক পাটি এনসিপিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। শহীদ পরিবারগুলোর নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়। কারণ প্রায়ই শহীদ পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে, গাইবান্ধা জেলার ছাত্র শক্তির আহব্বায়ক মেহেদী হাসান বলেন, আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্নসাৎ এর অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। প্রকল্পের সব কাজ এখনো শতভাগ সম্পুর্ন হয়নি। প্রশাসন ও শহীদ পরিবারের সাথে সমন্বয় করে বাকি কাজ দ্রুত সম্পুর্ন করা হবে।









































