গাইবান্ধার ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে সোমবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
‘তিস্তামুখ ঘাট- বাহাদুরাবাদ ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সম্বলিত এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।
স্মারকলিপি প্রদান শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে একটি বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত স্মারকলিপি পেশ ও গণদাবি আদায়ের সমাবেশে নেতৃত্ব দেন এবং বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, ফুলছড়ির গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু, এবং জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়াও চরাঞ্চলের মানুষের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর সরকার, ফুলছড়ির বিশিষ্ট সমাজসেবক ওহিদুল ইসলাম জয় প্রমুখ। এ সময় চরাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুটটি পুনরায় পুরোদমে চালু করা এখন সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের সাথে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে। এই মেগা প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তারা বর্তমান সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান।









































