প্রতিদিনের সংবাদ ডেস্ক
প্রথম কলাম
চুলপড়া কমাতে জিংক সমৃদ্ধ খাবার

শীত এলেই বাড়ে চুল পড়ার বিড়ম্বনা। চুল পড়ারোধী শ্যাম্পু বা প্রসাধনী সাময়িক সমাধান দিতে পারলেও চুলের বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সঠিক পুষ্টি গ্রহণ করার বিকল্প নেই। চুলের বৃদ্ধির জন্য জিংক কেন অপরিহার্য? এ জিংকে পাবেন কোন খাবারে। জিংক একটি অপরিহার্য খনিজ যা কোষ বিভাজন, ডিএনএ সংশ্লেষণ এবং চুলের ফলিকলসহ টিস্যুগুলোর মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, বিশেষ করে অ্যান্ড্রোজেন, যা চুলের বৃদ্ধির ধরণ উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।
তাছাড়া, জিংক খাওয়ার ফলে সেবাম তৈরি হয়। এটি প্রাকৃতিক তেল যা মাথার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে এবং চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে। এছাড়া জিঙ্ক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মতো কাজ করে এবং চুলের কোষগুলোকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, অকাল বার্ধক্য এবং সম্ভাব্য চুল পড়া রোধ করে। পালং শাক এবং অন্য গাঢ় পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজিতে জিংকের সঙ্গে বিভিন্ন ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। চুলের বৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি আপনাকে সুস্থ রাখবে এগুলো।
ডিমে প্রচুর জিংক, প্রোটিন এবং বায়োটিন থাকে। বায়োটিন একটি বি-ভিটামিন যা চুল, ত্বক এবং নখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বায়োটিনের অভাব চুল পড়া বাড়াতে পারে। ডিমের মতো জিংক এবং বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার চুলের যত্নে দারুণ কার্যকরী। কুমড়োর বিজ জিংক সমৃদ্ধ। এগুলো সালাদ, দই বা স্ন্যাক হিসেবে যোগ করে ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। মসুর ডাল জিংকের উদ্ভিদভিত্তিক উৎস। এগুলো প্রোটিন, আয়রন এবং অন্য পুষ্টি সমৃদ্ধ যা চুলের পাশাপাশি ভালো রাখে শরীরও। ছোলা জিংকের আরেকটি উদ্ভিদভিত্তিক উৎস। এগুলো সালাদ, স্যুপে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এছাড়া সাইড ডিশ হিসেবেও পরিবেশন করতে পারেন ছোলা। কাজু হলো এক ধরনের বাদাম যা জিংক সমৃদ্ধ। এগুলো আয়রন এবং বায়োটিনের মতো অন্যান্য পুষ্টিরও একটি ভালো উৎস। দইসহ দুগ্ধজাত পণ্যে জিংক থাকে। দই প্রোবায়োটিকও সরবরাহ করে, যা মাথার ত্বক ভালো রাখে। তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
"






































