টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হামলা, ঘরবাড়িতে আগুন

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হত্যা ও মাইকিং করে ২য় দফায় সহিংসতার ডাক দেওয়ায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। তবে, সকালে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে হামলা, ভাঙচুর ও ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। মানুষজন বিভিন্ন জায়গায় দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নিয়েছে। এতে থমথম অবস্থা বিরাজ করছে জগৎপুরা ও গোল পেঁচা এলাকায়। গতকাল শুক্রবার সকালে নলীন বাজার ও জগৎপুরা এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে জগৎপুরাতে ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ দিকে বিশৃঙ্খলারোধে গোপালপুরের নলীনবাজার, গোলপেঁচা এবং ভূঞাপুর উপজেলার জগৎপুরা এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষে একজন মারা যাওয়া ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ২য় দফায় মাইকিং করে সহিংসতার ডাক দেয় গোপালপুর অংশের লোকজন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে গত রাত ১২টার পরই গোপালপুর ও ভূঞাপুরের স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। গত রাত থেকেই ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এদিকে দুই উপজেলায় থমথম অবস্থা বিরাজ করছে। দুই পক্ষ পুনরায় সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে।
জানা যায়, দোকানে বাকি খাওয়াকে কেন্দ্র করে গোপালপুর উপজেলার গোল পেঁচা ও ভূঞাপুর উপজেলার জগৎকুড়া গ্রামের মধ্যে গত ২২ এপ্রিল দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে গতকাল বিকেলে পুনরায় সংঘর্ষে জড়ায় দুই গ্রামের লোকজন। দেশীয় অস্ত্রসহকারে চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা। সংঘর্ষে কালাম তালুকদারসহ অনেকেই আহত হন। পরে তাদের ভূঞাপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা কালামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্যদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় কমপক্ষে ১০টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। ভূঞাপুর থানার ওসি মো. সাব্বির রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
"






































