মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলছে

আগামী ২৮-২৯ এপ্রিল কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনকে লক্ষ্য করে ‘যুদ্ধ থামাও, পৃথিবী বাঁচাও’ শীর্ষক নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের দাবিতে গতকাল রবিবার বাগেরহাটের মোংলায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বিশ্বকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়া এবং ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর সময়ের দাবি। বর্তমান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি পড়ছে। বাণিজ্য নয়, বাস্তব সমাধান করতে হবে। জ্বালানি ব্যবস্থা হতে হবে জনগণকেন্দ্রিক ও গণতান্ত্রিক।
গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলার নারিকেলতলা ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), পশুর রিভার ওয়াটারকিপার এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের আয়োজনে মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা একথা বলেন।
২৮-২৯ এপ্রিল কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলনকে লক্ষ্য করে ‘যুদ্ধ থামাও, পৃথিবী বাঁচাও’ শীর্ষক নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের দাবিতে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ধরার কেন্দ্রীয় নেতা পশুর রিভার ওয়াটারকিপার পরিবেশযোদ্ধা নূর আলম শেখের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন নারীনেত্রী ও নারী উদ্যোক্তা উম্মে রাফিয়া জাহান মিশু, ধরার নেতা ছবি হাজরা, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের অ্যাডলিনা পায়েল, সুন্দরবন রক্ষায় আমরার মেহেদী হাসান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি ও সভাপতির বক্তব্যে নূর আলম শেখ বলেন, আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানি পরিহার করে ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির রূপান্তর ঘটাতে হবে। জ্বালানি নিরাপত্তা ও জ্বালানি সার্বভৌম প্রতিষ্ঠায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্প নেই।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনকে ধ্বংস করছে। বক্তারা রামপালে সরকারের ৪৪২ মেগাওয়াট সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বক্তারা বলেন, কেবল পরিবেশ নয়; অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও মানুষের জীবন রক্ষায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে ন্যায্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তর ঘটাতে হবে।
"






































