বিশেষ প্রতিবেদক

  ১৫ ঘণ্টা আগে

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে আজ রবিবার বিকেলে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি আগামীকাল সোমবার বিকেলে চীন সফরে যাবেন। গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম সফরের বিস্তারিত সূচি ও লক্ষ্য তুলে ধরেন। সেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়) এ কে এম শহিদুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্র সচিব জানান, এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের বিদ্যমান অর্থনৈতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর ও বিস্তৃত হবে। সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, যার সদস্য সংখ্যা ২৭ থেকে ২৮ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। উচ্চপর্যায়ের এ প্রতিনিধিদলে থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ আরো কয়েকজন।

সফরের সূচি অনুযায়ী, চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৩ থেকে ২৫ জুন লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নিউ চ্যাম্পিয়নসের ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন। ‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি অংশ নেবেন। ২৫ জুন তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন এবং ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।

মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। আর চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে বলে জানানো হয়। পররাষ্ট্র সচিব আরো জানান, এ সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকার গঠনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়া দিয়ে শুরু করা প্রধানমন্ত্রীর এ সফর চীন ভ্রমণের মাধ্যমে শেষ হবে ২৬ জুন। সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সই হতে পারে ১৭ চুক্তি : আসন্ন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। সফরকালে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এ সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এছাড়া ২৬ জুন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’র ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।

‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে। সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

"

প্রতিদিনের সংবাদ ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়