ডিএনসিসির তৃতীয় পর্যায়ের অভিযান

প্রথম দিনে ৮৭টি স্থাপনায় মিলল এডিসের লার্ভা

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী বছরব্যাপী মশকনিধন কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার থেকে তৃতীয় পর্যায়ে ১০ দিনব্যাপী চিরুনি অভিযান শুরু হয়েছে। চিরুনি অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত আরো জোরদার করা হয়েছে। যেসব ক্ষেত্রে ভবন বা স্থাপনার মালিক পাওয়া যাবে না, সেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনে নিয়মিত মামলা করা হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের ১০ দিনব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের প্রথম দিনে গতকাল সকাল ১০টা থেকে ডিএনসিসি ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে বিশেষ এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। গতকাল মোট ১২ হাজার ৭৩৬টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ৮৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৭ হাজার ৩০১টি বাড়িতে এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময় ২০টি মামলায় মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং অন্যান্য স্থাপনার মালিককে সতর্ক করা হয়েছে।

উল্লিখিত সব সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনাপূর্বক কীটনাশক ছিটানো হয়েছে এবং জনসাধারণকে এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে চিরুনি অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে এবারো প্রতিটি ওয়ার্ডকে ১০টি সেক্টরে ভাগ করে প্রতিটি সেক্টরকে ১০টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রতিটি ওয়ার্ডের একটি সেক্টরে অর্থ্যাৎ ১০টি সাবসেক্টরে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি আধুনিক মশক নিধন ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিগতবারের মতো এবারও এডিসের লার্ভা প্রাপ্তির স্থানগুলো এবং প্রজনন উপযোগী পরিবেশের তথ্য অ্যাপে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের অভিযানে মোট ২ লাখ ৭৪ হাজার ৫৭৬টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ২ হাজার ৬৮৬টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং সর্বমোট ৪৮ লাখ ১২হাজার ৫১০ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

"