মেয়রের উন্নয়ন ভাবনা
কথা রেখেছি কাজ দিয়ে

নির্বাচনের আগে জনগণের পাশে থেকে আধুনিক নগর গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। এরই মধ্যে ১৪ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ শেষ হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে রাস্তাঘাট পুনঃসংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন, কবরস্থান ও নতুন সড়ক নির্মাণসহ অবকাঠামো তৈরি ও সংস্কার ইত্যাদি। এছাড়া ১৩ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে।
বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে এই পৌর এলাকাতেও। মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও সম্প্রীতি বজায় রেখে উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক পৌরসভা গড়াই আমার লক্ষ্য- প্রতিদিনের সংবাদকে কথাগুলো বলছিলেন স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র জি এম কবির। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পিরোজপুর প্রতিনিধি মো. ইমাম হোসেন জমাদ্দার।
৪.৯৮ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে ১৯৯৮ সালে স্বরূপকাঠি পৌরসভার যাত্রা শুরু। পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণির। এর জনসংখ্যা ২০ হাজার ১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০ হাজার ৮৬৫ এবং মহিলা ৯ হাজার ১৫৪। টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত মেয়র জি এম কবির পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিও।
জি এম কবির বলেন, অসহায়, দরিদ্র মানুষদের পাশে সবসময় থেকেছি, যতদূর পেরেছি নিজের অর্থায়নে সাহায্য-সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। করোনা মহামারির সময় পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে খাদ্য সরবরাহ থেকে শুরু করে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছি। মশার উৎপাত বন্ধে মশার বিস্তার ঘটতে পারে এমন সম্ভাব্য সব স্থানে ওষুধ ছিটানোর উদ্যোগ নিয়েছি।
মেয়র বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। এ কারণে এখানে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নেই। দল-মত নির্বিশেষে পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর এজন্য চাই সবার সহযোগিতা।
জি এম কবির বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক সচেষ্ট রয়েছি। ছোট সমস্যাগুলো শালিস ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধান করায় এলাকায় মামলা-মোকাদ্দমা কমে এসেছে। বিনোদনের জন্য ডিজিটাল শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণের কাজ খুব দ্রুত শুরু হবে। ডিজিটাল পৌর মার্কেট করার উদ্যোগ নিয়েছি। পৌরবাসী সহযোগিতা করলে ২০২৪ সালের মধ্যে পৌরসভাকে একটি ডিজিটাল পৌরসভায় রূপান্তর করতে পারব।
"








































