টি-টোয়েন্টি সিরিজে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি হেরে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে টাইগাররা।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়।
টি-টোয়েন্টিতে খেলতে নামার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জয় করে বাংলাদেশ। সে কারনে আত্মবিশ্বাস নিয়েই টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে নামে টাইগাররা। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খায় স্বাগতিকরা। চট্টগ্রামে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ৪ উইকেটের হার দিয়ে সিরিজ শুরু করতে হয় বাংলাদেশকে।
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া তাওহিদ হৃদয়। অস্ট্রেলিয়ার চার স্পিনারের ঘূূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে ১৯ ওভারে অলআউট হবার আগে ১৩১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আট নম্বরে নামা মাহেদি হাসান। এছাড়া সাইফ হাসান ২০, সৌম্য সরকার ১৭ ও তানজিদ হাসান-পারভেজ হোসেন ইমন ও অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১০ রান করে করেন।
বাংলাদেশের পতন হওয়া ১০ উইকেটের মধ্যে ৯ উইকেটই নেন অস্ট্রেলিয়ার চার স্পিনার এডাম জাম্পা-জোয়েল ডেভিস-ম্যাট রেনশ ও নিখিল চৌধুরি। জাম্পা-ডেভিস ৩টি করে, রেনশ ২টি ও নিখিল ১টি উইকেট নেন।
১৩২ রান তাড়া করতে নেমে বেগ পেতে হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ১০ বল বাকী রেখে জয়ের বন্দরে পা রাখে অসিরা। দলের হয়ে কুপার কনোলি ২৭ বলে ৪৭ রানের ইনিংস খেলেন।
প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের জন্য দলের ব্যাটারদের দায়ী করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক হৃদয়। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের অন্তত ১৬০ বা ১৭০ রান করা উচিত ছিল।
ইনিংসের মাঝপথে আমরা পরপর উইকেট হারিয়েছি। এজন্য আমরা কোন জুটি গড়তে পারিনি।’
প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া হৃদয়। তিনি বলেন, ‘আশা করি এখান থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। সবাই জানি আমরা কি ভুল করেছি। আশা করি পরের ম্যাচে আমরা ভুলগুলো কাটিয়ে উঠতে পারব।’









































