প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্বে মেক্সিকো

দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে পরাজিত করে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে সহ-আয়োজক মেক্সিকো।
বিরতির পরপই লুইস রোমোর গোলে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। শেষ পর্যন্ত ঐ এক গোলেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারনোর পর আজকের এই জয়ে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্বের বাঁধা পার করেছে মেক্সিকানরা।
ম্যাচের একেবারে শেষ মিনিটে গোলরক্ষক রাউল রানগেল দুটি দুর্দান্ত সেভে মেক্সিকো কার্যত ম্যাচটিকে সেভ করেছে।
নকআউট পর্বে শেষ ৩২ রাউন্ডে গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে মেক্সিকোর প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে তৃতীয় স্থান পাওয়া একটি দল।
তিন পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার রয়েছে গ্রুপ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। এক পয়েন্ট করে নিয়ে চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকাও আশা টিকিয়ে রেখেছে।
মেক্সিকো নিজেদের হোম গ্রাউন্ডে উচ্ছসিত স্বাগতিক দর্শকদের সামনে দূরন্ত পারফরমেন্স উপহার দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়াও অবশ্য শেষ মিনিট পর্যন্ত ছেড়ে কথা বলেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ম্যাচটি থেকে দুটি পরিবর্তণ করে কাল মূল একাদশ সাজিয়েছিলেন মেক্সিকোর কোচ জেভিয়ার অগারে। তার প্রতিপক্ষ হং মুয়াং-বো একটি পরিবর্তণ নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন। প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত লড়াই করে চেকদের ২-১ গোলে হারানো ম্যাচটির উপরই তিনি প্রধানত আস্থা রেখেছিলেন।
১৫ মিনিটে প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ানর অধিনায়ক সন হেয়াং-মিন। গোলরক্ষক রানগেলের মাথার উপর দিয়ে তিনি বল পাঠালেও এডসন আলভারেজ লাইনের উপর থেকে বাইসাইকেল কিকের সাহায্যে তা রুখে দেন। টুর্নামেন্টের প্রথম গোল করা জুলিয়ান কুইনোনসের হেড কোনমতে রক্ষা করেন দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক কিম সেয়াং-গিউ। প্রথমার্ধের বাকি সময়টা আধিপত্য দেখিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। কিছু ভাল সুযোগ তৈরী করেও শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও উজ্জীবিত হয়ে খেলা শুরু করে মেক্সিকো। ৫০ মিনিটে গোলরক্ষক কিমের ভুলে রোমো বল জালে পাঠান। ৬০ মিনিটে সনের পরিবর্তে উল্ফস ফরোয়ার্ড হোয়াং হি-চ্যানকে মাঠে নামান দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ। কিন্তু ম্যাচের শেষ ভাগে কিছু আক্রমণ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ডরা তেমন কোন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।









































