বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি
সাংবাদিক ফেলোশিপ সনদ ও সম্মাননা স্মারক পেলেন অমর ডি কস্তা

প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিষয়ক সাংবাদিক ফেলোশিপ অর্জনের পর তা সফলভাবে সম্পন্ন করার স্বীকৃতি হিসেবে ফেলোশিপ সনদ ও সম্মাননা স্মারক পেলেন নাটোরের সিনিয়র সাংবাদিক অমর ডি কস্তা। সমগ্র বাংলাদেশের ১০ জন সাংবাদিক এই ফেলোশিপ সনদ ও সম্মাননা পেয়েছেন।
রবিবার বিকেলে ঢাকাস্থ বাংলা একাডেমি হলরুমে 'সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও অভিগম্যতা শীর্ষক সম্মিলন' অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেলোশিপ সনদ ও স্মারক প্রদান করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগিতায় ক্রিশ্চিয়ান এইড, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট (উই ক্যান) এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃক সম্মিলিতভাবে বাস্তবায়নকৃত এক্সপেন্ডিং সিভিক স্পেস থ্রু একটিভ সিএসও পার্টিসিপেশন এন্ড স্ট্রেন্দেন্ড গভার্নেন্স সিস্টেম ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের অধীনে এই ফেলোশিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এতে ঢাকা, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, পাবনা, নাটোর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় গবেষণা ও প্রতিবেদনের কাজ করে স্ব স্ব জেলার জন্য ফেলোশিপ প্রাপ্ত ১০ জন সাংবাদিক। প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য, তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনে চ্যালেঞ্জগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবেদন তৈরি ও প্রচার করেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকগণ। এছাড়া ফেলোশিপ প্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকগণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যেমন প্রান্তিক নারী, দলিত, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ট্রান্সজেন্ডার, আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিয়ে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার সক্ষমতা বাড়ানো ও এসব জনগোষ্ঠীর মানুষ নিজেদের অধিকার যথাযথভাবে নিশ্চিতে সক্ষম কিনা তা গবেষণা করেন এবং এর প্রতিবেদন তৈরি করেন।
সনদ ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন, ক্রিশ্চিয়ান এইড, এশিয়া এমসিসি’র প্রোগ্রাম ও পার্টনারশিপ লিড প্রিন্স সুমন বাড়ৈ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী, উই ক্যান এর প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরিকুল ইসলাম, সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পরিচালক সাজ্জাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ পুলিশ এর ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টার শাখার এসিস্ট্যান্ট কমিশনার মনোয়ারা আক্তার রিফাত সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রধানগণ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে সাংবাদিক অমর ডি কস্তা জানান, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হই এবং এগ্রিমেন্ট পেপারে স্বাক্ষর করি। সফলভাবে ফেলোশিপের অবজেক্টিভ সম্পন্ন করার পর স্বীকৃতি হিসেবে এই সনদ ও সম্মাননা স্মারক পাই। এই অর্জন সত্যিই অনেক বেশি আনন্দের।









































