সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের রায়পুরে রেল জংশনের দাবিতে মানববন্ধন

সিরাজগঞ্জ- বগুড়া নির্মাণাধীন রেলপথকে সিরাজগঞ্জ শহরের রায়পুর জংশনের দাবিতে “সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন”-এর উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকালে আন্দোলনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুব এ খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসুছিতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কমিউষ্টি পার্টি সিরাজগঞ্জ ( সিপিবি) এর সভাপতি ইসমাইল হোসেন, জেলা বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার, জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিক এবং জেলা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিথুন রহমান।
বক্তারা বলেন, সিরাজগঞ্জ শহর হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী একটি রেল পথের শহর। শহরটিতে রেল পথের শত বছরের ঐতিহ্য রয়েছে। বৃটিশ শাসন আমলে রেল পথই ছিল এই জনপদের মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম।
কিন্তু আমরা দীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি দেশের একটি স্বার্থান্বেসী মহল সিরাজগঞ্জ পৌর শহর থেকে রেল পথ সরিয়ে নেওয়ার স্বরযন্ত্র করছে। আমরা এই স্বরযন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সেই সঙ্গে পৌর শহরের রায়পুরে একটি রেল জংশন নির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি। যার মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ বগুড়া নির্মাণাধীন রেলপথকে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের রায়পুর জংশনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা সহজ হবে।
বক্তারা আরও বলেন, নানারূপ স্বরযন্ত্র করে সিরাজগঞ্জ শহর থেকে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ইতিমধ্যে সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশন থেকে সবগুলো আন্তঃনগর ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এমন বৈষম্যমুলক কার্যক্রম সিরাজগঞ্জ বাসি কখনও মেনে নেবে না।
তাঁরা জানান, সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের রায়পুরে একটি কেন্দ্রীয় জংশন স্থাপনের জন্য সব ধরনের সুযোগ সুবিধা রয়েছে। এখানে রেলওয়ে বিভাগের শত শত একর নিজস্ব ভূমিসহ বৃটিশ আমলে নির্মিত রেলওয়ে বিভাগের বিভিন্ন স্থাপনা রয়েছে। সঠিক ব্যবহারের অভাবে এ সব সম্পদ মানুষের দখলে চলে যাচ্ছে। যে কারণে এই এলাকায় রেল জংশন স্থাপন করা হলে সরকারের ভূমি অধিগ্রহণের খরচ সবটুকুই বাঁচানো সম্ভব হবে।
বক্তারা সিরাজগঞ্জের রায়পুরে জংশন স্থাপন করে এটিকে উত্তরাঞ্চলগামী রেল যোগাযোগের কেন্দ্রীয় জংশন হিসেবে গড়ে তুলে নির্মাণাধীন সিরাজগঞ্জ বগুড়া রেলপথকে এর সঙ্গে সংযুক্ত করার দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে গড়ে তোলার হুসিয়ারি দেন বক্তারা।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সহকারী কমিশনার (গোপনীয়) রুহুল আমীন জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।









































